জেনেভা: সুস্থতার রেখাচিত্র হুড়মুড় করে উপরে উঠছে। সেই দিকে তাকিয়ে নিশ্চিন্ত হচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হ এর কর্মকর্তারা। ৩ লক্ষের বেশি মানুষ করোনার মৃত্যু হাতছানি এড়িয়ে ঘরে ফিরেছেন। এর উল্টো দিকটাও কিন্তু চরম বাস্তব। করোনাভাইরাসের হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৮২,১৩১ জন। বুধবার বেলা ১২.৩০ মিনিটে পর্যন্ত এই সর্বশেষ হিসেব দিচ্ছে ওয়ার্ল্ডোমিটার। তাদের পরিসংখ্যান নিয়েই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ১৮৪টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৩৭ জন।

ইতালি: তবে মৃতের সংখ্যার হিসাবে শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এখানে মৃতের সংখ্যা ১৭ হাজার ১২৭ জন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্শ ৩৫ হাজার ৫৮৬ জন। স্পেন: দ্বিতীয় স্থানে স্পেন। মৃতের সংখ্যা ১৪ হাজার ৪৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪১ হাজারের বেশি।

আমেরিকা: এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮০৯ জন করোনা আক্রান্ত। আমেরিকায় মৃত ১২,৮৫৭ জন। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করছে মার্কিন সরকার। ফ্রান্স: তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এতদিন করোনা আক্রান্তের মৃত্যুর সারিতে তৃতীয় স্থানে ছিল ফ্রান্স। তারা নেমেছে। কিন্তু আমেরিকায় বেড়েছে মৃতের হার। ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৩২৮ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৭০ জন।

ব্রিটেন: ব্রিটিশ জনজীবনেও করোনার হামলা চলছে। ১২ হাজারের বেশি মৃত। খোদ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন করোনায় আক্রান্ত। তাঁকে ঘিরে আরও উদ্বেগ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল। এছাড়া নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, জার্মানিতেও প্রবল করোনা ছোবল। তিন দে মিলিয়ে মোট মৃত ৬ হাজারের বেশি।

চমকপ্রদ বিষয়, চিন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে তেমন আক্রান্ত নয় সীমান্তবর্তী ১৪টি দেশের বেশ কয়েকটিতে তেমন হামলা হয়নি করোনার। যেমন ভুটান, নেপাল, মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, রাশিয়া। যদিও রুশ দেশে কয়েক জন করোনা সংক্রমণে মত। আর চিনেরই প্রতিবেশী ভারতে ৫০০০ আক্রান্ত, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।