বেজিং: ২০০৮ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণ গিয়েছিল ৮৭ হাজার মানুষের৷ সেই তথ্য সম্পূর্ণ লুকিয়ে গিয়েছিল চিন৷ এমনই দাবি করলেন জার্মানির বার্লিনের এক সমাজকর্মী তথা অ্যাক্টিভিস্ট আই ওয়েইওয়েই৷

তাঁর বক্তব্য চিনে সেই ভূমিকম্পে যতজন মারা গিয়েছিলেন, তার তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম দেখানো হয়েছিল৷ ৮৭ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন৷ একটা গোটা গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল৷ সর্বোপরি ধ্বংস্ব হয়ে গিয়েছিল প্রায় ৭০০০ স্কুল৷

কিন্তু এই সংক্রান্ত বিশেষ কোনও তথ্য চিন প্রকাশ করতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ওয়েইওয়েই৷ শুধু তাই নয়, যেখানে ৮৭ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন, সেখানে সরকারিভাবে যে রিপোর্ট চিন প্রকাশ করে, তাতে দেখানো হয় অনেক কম মানুষ মারা গিয়েছিলেন৷

সবথেকে বড় বিষয় স্কুল ধসে মারা যায় ৫৩৩৫ জন শিশু৷ চিনের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায় মারা গিয়েছে হাজার জন শিশু৷  ২০০৮ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চিন৷ রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৭.৯৷ উদ্ধারকারী দলে ছিলেন আই ওয়েইওয়েই৷ সেই সময় তাঁর মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি৷
প্রায় এক দশক পরে তিনি বলার সুযোগ পেয়েছেন, তাই এই তথ্যগুলো বিশ্বের সামনে নিয়ে আসার কথা ভেবেছেন তিনি বলে জানান ওয়েইওয়েই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।