বেজিং: আপাতত ভারত থেকে কাউকে ঢুকতে দেবে না চিন। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেজিং। করোনা মহামারীর জেরেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি ভারত থেকে চিনে যাওয়া এক এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ২০ জন যাত্রীর শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। বন্দে ভারত মিশনের আওতায় ওই বিমান চিনে গিয়েছিল। গত সপ্তাহে এই ঘটনার সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে বেজিং।

১৩ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বরে মধ্যে চারটি বিমান ভারত থেকে চিনে যাওয়ার কথা। সেই বিমান যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার দিল্লি থেকে উহান যাওয়ার কথা ছিল একটি বিমানের। কিন্তু তাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চিনা প্রশাসনের তরফে এর অনুমতি মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। শুধু ভারত নয়, বেলজিয়াম, ইউকে, ফিলিপিন্স থেকে যাওয়া বিমানের ক্ষেত্রেও চিন এভাবেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের চিনা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, করোনা মহামারীর জন্য চিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপাতত ভারতীয়দের চিনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

তবে এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িক বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে ২ নভেম্বরের একটি নোটিশে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে যারাই চিনে যাচ্ছে, তাদের প্রত্যেককে দুটি নিউক্লিক টেস্ট ও একটি অ্যান্টিবডি টেস্ট করাতে হবে।

এদিকে, উৎসব পরবর্তী পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। মন্ত্রক জানিয়েছ কেরল, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ ও মণিপুরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তেসরা অক্টোবর থেকে তেসরা নভেম্বরের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার বৃদ্ধির হার বেড়েছে। এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশে। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেশ কমেছে এই রাজ্যগুলিতে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানান, সর্বাধিক আক্রান্ত মহারাষ্ট্র, তামিল নাড়ুর মত রাজ্যগুলি থেকে হলেও, অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কমছে এইসব রাজ্যে। যা নিঃসন্দেহে সুখবর। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে আবার কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ২৫৪ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I