নয়াদিল্লি: ভারত ও ব্রিটেন তাদের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজগুলিকে চিনের জলসীমার কাছে পাঠাতে যাচ্ছে বলে ইতিমধ্যে খবর বেরিয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে এবার লন্ডন ও নয়াদিল্লিকে সতর্ক করেছে বেইজিং।

চিনা ইংরেজি দৈনিক দি গ্লোবাল টাইমস রবিবার জানিয়েছে, চিনকে চাপে রাখতে ২০২১ সালের গোড়ার দিকে দেশটির জলসীমার কাছাকাছি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটেন ও ভারত। দেখা গিয়েছে জাপান সরকারকেও এই খবরের সত্যতা স্বীকার করতে।

ইতিমধ্যেই ভারতীয় সংবাদপত্র জানিয়েছিল, চিনকে চাপে রাখতে ভারত ঐ অঞ্চলে একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাবে। ওই খবরে জানানো হয়েছিল, চিনের বিমানবাহী রণতরীগুলির ‘সম্প্রসারণকামী’ তৎপরতা প্রতিহত করার লক্ষ্যে এমন কাজ করবে ভারত।

ওদিকে চিনা সামরিক বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, চিনকে প্রতিহত করার জন্য নয় বরং এ অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের পৃষ্ঠপোষকতা করার উদ্দেশ্যে সেখানে রণতরী পাঠাতে চলেছে ভারত ও ব্রিটনে।

চিনা দৈনিকটি সেদেশের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা উল্লেখ করে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, চিনের আশপাশে বিদেশি শক্তিগুলির সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পরিণতি ভালো হবে না।

কিছুদিন আগে চিনের একজন প্রাক্তন সেনাকর্তা জানিয়েছিলেন, তার দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা পরমাণু বোমা হামলা চালালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বেইজিং বিভিন্ন পথ খুলে রেখেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।