ওয়াশিংটন : হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ, করোনা ভাইরাস, ভারতের সঙ্গে সংঘাত-একাধিক বিষয়ে চিনের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। এই আবহেই বৈঠকে বসতে চলেছে বেজিং ও ওয়াশিংটন। ১৫ই অগাষ্ট দুদেশের সচিব স্তরে বৈঠক। নজরে থাকবে বিতর্কিত বাণিজ্য নীতি ও আকাশ সীমার ব্যবহার।

ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠক চলবে। গত ছয় মাস ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের সম্পর্ক যেভাবে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, তারই পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে খবর। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটিঝার ও চিনের ভাইস প্রিমিয়ার লিউ হে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, মার্কিন রাজস্ব দফতর এখনও এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য রাখেনি। জানুয়ারি মাসে প্রথম পর্যায়ের যে বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের মধ্যে হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। ২০০ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তিতে আমেরিকা থেকে পণ্য আমদানি করার কথা চিনের। কৃষিজাত, শক্তি ক্ষেত্রের ও বেশ কিছু পরিষেবা সংক্রান্ত পণ্য আমদানি করার কথা ছিল।

তবে বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে থমকে যায় লেনদেন। পরে শুরু হয় দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন। বেজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় মাত্র ৫ শতাংশ পণ্য হাতে পেয়েছে তাঁরা। প্রথম পর্যায়ের বাণিজ্যিক লেনদেনের গতি কীভাবে বাড়ানো যায়, সেই ব্যাপারেই আলোচনা চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে ছিলেন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করতে হবে। আমেরিকায় সংক্রমণ যখন তুঙ্গে, তখন চিন প্রসঙ্গে এমনটাই জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মহামারীর আগে চুক্তি নিয়ে যেভাবে ভাবা হয়েছিল, তা আর হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন তিনি।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘তিন মাস আগে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যা ভেবেছিলাম, এবার হয়ত একটু অন্যভাবে ভাবতে হবে।’ তাঁর কথায়, ‘চিনের সঙ্গে কাজ করলে হয়ত ভালো হবে, তবে সেটা আদৌ হবে কিনা, তা জানিনা। আপনাদের এ ব্যাপারে পরে জানাব।’

আবারও একবার করোনা মহামারী নিয়ে চিনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে দেন তিনি। বলেন ‘করোনা চিনের উপহার। আর সেটা মোটেই ভালো নয়। উৎসেই রুখে দেওয়া উচিৎ ছিল।’ তিনি চিনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে দিয়ে বলেন, ‘উহানে যখন করোনা শুরু হয়, তখন সেখানে সংক্রমণ বড় আকারে দেখা দেয়, কিন্তু কীভাবে সেটা চিনের অন্যান্য জায়গায় আর ছড়াল না?’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা