নয়াদিল্লি: ভারত নয়, বিশ্বের একাধিক দেশের ভূখণ্ডে দখলদারির চেষ্টা করছে চিন। গত কয়েক মাস ধরে লাদাখের চেহারাই তার প্রমাণ। তবে এবার প্রমাণ মিলল আরও মারাত্মক। জলে-স্থলে শুধু নয়, এবার আকাশেও হামলা চালানোর চেষ্টা করছে চিন।

ভারতের একাধিক স্যাটেলাইটে হামলার চালানোর চেষ্টা চালিয়েছে বেজিং।

জানা গিয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ভারতের উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে একাধিক বার আক্রমণ চালিয়েছে তারা। কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ২০১৭-তেও একই ধরনের হামলা চালানো হয়। আমেরিকার চায়না এরোস্পেস স্টাজিড ইনস্টিটিউট (সিএএসআই) নামে এক সংস্থার রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।

সিএএসআই আমেরিকার থিঙ্কট্যাঙ্ক। মার্কিন সরকারের সচিব স্থানীয় আধিকারিক, চিফ অব স্টাফ, বায়ুসেনা এবং বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে এই সংস্থা। এছাড়াও তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয়ে উঠতে পারে, বিচার-বিবেচনার মাধ্যমে তা নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর এবং সরকারের অন্যান্য বিভাগের নীতি নির্ধারণকারীদের পরামর্শ দেয় ওই সংস্থা।

২০১২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরে ১৪২ পাতার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সিএএসআই। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, মহাকাশে উপগ্রহ প্রতিরোধ প্রযুক্তি রয়েছে চিনের। তার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মহাকাশ প্রযুক্তি এবং নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে অনুসরণ করে চলা উপগ্রহের উপর হামলা চালায় তারা। এই কাজের জন্য চিনের কাছে কো-অর্বিটাল স্যাটেলাইট, যা কিনা শত্রুপক্ষের উপগ্রহকে অনুসরণ করে, কৃত্রিম উপগ্রহ প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র, জ্যামার্স এবং সাইবার অস্ত্র রয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালে থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সংস্থা কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর তরফে প্রকাশিত একটি রিপোর্টেও একই দাবি করা হয়। শত্রুপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম প্রযুক্তি প্রদর্শন করতে ভারত যখন ব্যস্ত, চিন ইতিমধ্যেই উন্নত ধরনের সাইবার হানা প্রযুক্তি তৈরি করে ফেলেছে।

যদিও ইসরো-র প্রযুক্তি নিরাপদই রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান কে শিবান। তিনি জানান, চিন এরকম একটি প্রচেষ্টা চালিয়েছিল, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়েছে। চিনের ওই প্রযুক্তি ইন্টারনেটের সঙ্গেও যুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই ওই প্রযুক্তি নিরাপদ রয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।