ইসলামাবাদ: করোনা ভ্যাকসিনের আশায় পথ চেয়ে বসে থাকা পাকিস্তানকে স্বস্তি দিল চিন। এই মাসের শেষের দিকে পাঁচ লক্ষ ভ্যাকসিন ডোজ পাকিস্তানকে দিতে চলেছে চিন। কিস্তানি সংবাদপত্র ‘দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, শাহ মামুদ কুরেশি চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে ফোনা বার্তালাপের পর একথা জানিয়েছেন।

চিনের এই পদক্ষেপকে ‘সদিচ্ছা’র ইঙ্গিত হিসাবে বর্ণনা করে কুরেশি জানিয়েছেন, এটা অত্যন্ত সুসংবাদ যে আমরা এই করোনা পরিবেশেও বন্ধু চিনকে পাশে পেয়েছি।” চিনের বিদেশমন্ত্রী ভ্যাকসিন বহন করার জন্য পাকিস্তানকে কার্গো বিমান পাঠাতে বলেছেন।

আরও পড়ুন – ‘মোষ-সহ ৯০ % ভারতীয় দুধে রয়েছে এ-২ প্রোটিন’, বললেন আমুলের এমডি

চিনের সিনোফর্ম এবং অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন অনুমোদনের পরে পাকিস্তানের ড্রাগ রেগুলেটরি অথরিটি এই ঘোষণা করেছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন কেনার জন্য পাকিস্তান সরকার দুটি চিনা সংস্থা সিনোফর্ম এবং ক্যানসিনোর সঙ্গে আলোচনা করেছিল।

সংবাদমাধ্যমকে কুরেশি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের আরও দশ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিনের দরকার হবে এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ফেব্রুয়ারির শেষে এটি দিতে রাজিও হয়েছেন।

উল্লেখ্য, এদিকে ভারতও এবার বাণিজ্যিক ভাবে ভ্যাকসিন রপ্তানি করছে। বিশ্বের অন্তত ৯২টি দেশ ভারতের কাছে এই ভ্যাকসিন কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাণিজ্যিক ভাবে ইতিমধ্যেই ব্রাজিল এবং মরোক্কোতে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিমানে করে পাঠানো হয়েছে এই ভ্যাকসিনের ডোজ। ২০ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত ব্রাজিল প্রথমে চিনের তৈরি ভ্যাকসিন নিয়েছিল। তবে ব্রাজিলে এই ভ্যাকসিন তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। এরপরেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করে ব্রাজিল।

আরও পড়ুন – বদলাচ্ছে কি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের নাম, জেনে নিন ইতিহাস

দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশেও খুব শীঘ্রই এই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মায়ানমার ও বাংলাদেশ উভয় দেশই ভারত থেকে ৩০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার চুক্তি করেছে। ১২ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন চেয়েছে নেপালও। ১৫ লক্ষ কোভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০ লক্ষ কোভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে ব্রাজিল।

এছাড়া থাইল্যান্ড, সিসিলি, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, মরিশাস সহ আরও অনেক দেশ ভারতের কাছ থেকে এই ভ্যাকসিন বাণিজ্যিক ভাবে কিনতে চেয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপানও এই ভ্যাকসিন কেনার ব্যাপারে ভারতের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।