এবার আমেরিকা, রুশ, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একদলে পড়ে যাবে চিন৷ কারণ সুদূর অ্যান্টার্কটিকায় নিজস্ব রানওয়েতে ওঠানামা করবে চিনের বিমান৷ স্থায়ী বিমানবন্দর তৈরি করবে সেখানে চিন৷ সেখানে বসবাস করা বৈজ্ঞানিকদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়া ও সেখানকার এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টকে আরও উন্নত করবে ওই বিমানবন্দর বলে খবর৷

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী খবর, ওই বিমানবন্দর প্রস্তুত হয়ে গেলে দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে মাঝারি ও বড় বিমান ওড়ানো ও নামানো অনেকটা সহজ হবে৷ এমনটা ঘটলেই চিন আমেরিকা রুশ, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের দলে সামিল হয়ে যাবে৷ কারণ এদের প্রত্যেকেরই অ্যান্টার্কটিকায় নিজস্ব বিমানবন্দর রয়েছে৷ দক্ষিণ মেরু অঞ্চল সোনা, রুপো, কয়লা, প্লাটিনামের মত প্রাকৃতিক সম্পদে ঠাসা৷

জানা গিয়েছে অ্যান্টার্কটিকায় চিন নির্মিত জংশন স্টেশন থেকে ২৮ কিমি দূরের বরফে ঢাকা অঞ্চলে ওই বিমানবন্দরটি তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ আমেরিকার জুওলজিকাল সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যান্টার্কটিকায় বিশ্বের প্রায় শতাংশ গ্যাস রয়েছে৷ যার এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ করা হয়নি৷

চিনের বিজ্ঞানীরা ২০০৯ সালে দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে ২৫তম অভিযানের সময় ফিক্সড উইং বিমানের জন্য চার কিলোমিটার লম্বা ও ২৫ মিটার চওড়া বিমান ওঠা নামার জায়গা তৈরি করে৷ ২০১০ সালে বরফে ঢাকা এই অঞ্চলে বরফের উপর চিন ফিয়িং নামে একটি বিমানবন্দরও নির্মাণ করে৷