বেজিং: করোনার পরবর্তী কালের দিকে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে চিন। এবার বৈধ আবাসিক অনুমতি প্রাপ্ত বিদেশিদের চিনে ফেরার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞাকে সহজ করে দিল চিন।

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইকে জোরদার করে তুলতে মার্চ থেকে চিনে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বেজিং। এরপর বুধবার জানানো হল, ধীরে ধীরে প্রবেশের অনুমতি মিলছে বিদেশিদের।

চিনা বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, যে সকল ব্যক্তির চাকরি সূত্রে থাকার অনুমতি রয়েছে এবং যাদের দুই ধরনের পারিবারিক রিইউনিয়নের অনুমতি রয়েছে, তাঁরা এখন ডকুমেন্টসের আবেদন না করেই চিনে প্রবেশ করতে পারেন ।

তবে করোনা রোধে চিন যে অ্যান্টি মহামারি নীতি চালু করেছে তা কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে বিদেশিদের। এর অর্থ হল, বিদেশিদের অবশ্যই কোভিড ১৯ পরীক্ষা করতে হবে ও ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর আগে ৩৬ টি ইউরোপীয় দেশ থেকে বিদেশী নাগরিকদের পুনরায় ভিসার আবেদন করার অনুমতি দেয়।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বের দরবারে মূখ পুড়েছে চিনের, আমেরিকা সহ বহু রাষ্ট্রের অভিযোগ এই মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে রয়েছে চিনের হাত। মঙ্গলবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের চিনকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার দায়ে অভিযুক্ত করেন।

ট্রাম্প এদিনও করোনাভাইরাসকে ‘চিনা ভাইরাস’ দাবি করে বলেছেন, আমেরিকাকে বর্তমানে একটি অদৃশ্য শত্রুর (করোনাভাইরাস) বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। তার বক্তব্য, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে রাষ্ট্রসংঘের উচিত চিনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া।

তবে শুধু আমেরিকা নয়। করোনা ভাইরাসের জন্য চিনকে দায়ী করেছে ব্রিটেনও। এমনকি চিনের বিরুদ্ধে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের মামলাও করেছেন মার্কিন আইনজীবী ল্যারি ক্লেম্যান।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।