বেজিং: শুধু ভারতে নয়, অন্যান্য প্রতিবেশীদের উপর দখলদারি চালাতেও সবসময় প্রস্তুত চিন। তাইওয়ানে হামলার প্রস্তুতি চালাচ্ছে চিন। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সৈনিকের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে চিনের সেনাবাহিনী। এমনটাই দাবি করেছে ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’।

ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই অঞ্চল থেকে পুরনো ডিএফ-১১ ও ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে অত্যাধুনিক ডিএফ-১৭ হাইপারসনিক মিসাইল মোতায়েন করেছে চিন। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ও অনেক বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এই নয়া চিনা মিসাইল। প্রকাশ্যে আসা এক স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে ফুজিয়ান ও গুয়াংডং অঞ্চলে ম্যারিন কোর ও রকেট ফোর্সের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে বেজিং।

গত মঙ্গলবার গুয়াংডং সামরিক ঘাঁটিতে যান প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং। সেখানে সৈনিকদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি। মেরিন কোরকে দেওয়া ভাষণে শি বলেন, ‘অপনারা অত্যন্ত সতর্ক থাকুন। নিজের দেশের প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত থাকুন। নিজের শক্তি ও বুদ্ধি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করুন।’

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, তাইওয়ান ও চিনের যুদ্ধের সম্ভাবনা ক্রমশ বাড়ছে। জিনপিংয়ের আমলে বারবার তাইওয়ান দখল করার হুমকি দিচ্ছে বেজিং। কয়েকদিন আগেই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে মার্কিন প্রতিনিধির সফর নিয়ে তুমুল আপত্তি জানায় চিন, শুধু তাই নয়, তাইওয়ানের বায়ুসীমায় ঢুকে পড়ে চিন যুদ্ধবিমান। পালটা, তাইপেইও হুমকি দিয়েছে চিন হামলা চললে পালটা জবাব দেবে দেশের সেনাবাহিনী। এনিয়ে বেশ কয়েকবার সামরিক মহড়াও চালিয়েছে দেশটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।