বেজিং: একদিকে ভারতের ভূখণ্ডে চলছে চিনের দাপাদাপি। অন্যদিকে, তাইওয়ানের আকাশে মাঝে মধ্যেই ঢুকে পড়ছে চিনের যুদ্ধবিমান। এরই মধ্যে জলেও সাম্রাজ্য বিস্তারের লক্ষ্যে নতুন মহড়া শুরু করল চিন।

সোমবার একসঙ্গে বিভিন্ন দিকে পাঁচ সামরিক মহড়া শুরু করল চিন। দু’মাসে এই নিয়ে পরপর দু’বার বড়সড় আকারের মহড়া শুরু করল চিন। এর মধ্যে দুটি মহড়া চলছে দক্ষিণ চিন সাগরের কাছে প্যারাসেল আইল্যান্ডে। একটি চলছে ইস্ট চায়না সি-তে। এছাড়া বোহাই সাগরে চলছে আরও একটি মহড়া। ইয়েলো সি-র দক্ষিণ অংশে আরও একটি মহড়া চলছে বলে জানা গিয়েছে। Maritime Safety Administration এর ওয়েবসাইটে এই মহড়া শুরু করা হয়েছে।

যেখানে মহড়া চলছে ওইসব এলাকায় কোনও ধরনের জাহাজ ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। চিনের জন্য সামরিক মহড়া কোনও নতুন ঘটনা নয়। তবে, একইসঙ্গে এভাবে এতগুলি মহড়া আগে চালাতে দেখা যায়নি।

গত মাসে এরকমই একটি মহড়া চালায় বেজিং। সেখানে বোহাই সাগর, ওয়েলো সি, ইস্ট চায়না সি ও সাউথ চায়না সি -তে মহড়া চলে। অর্থাৎ একসঙ্গে ৪টি মহড়া চালানো হয়েছিল সেবার।

সম্প্রতি পরপর তিনদিন আকাশসীমা পেরিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছে চিন। তাই এবার গর্জে উঠল তাইওয়ান। চরম উস্কানিমূলক কাজ বলে উল্লেখ করেছে সেদেশের প্রশাসন।

গত সপ্তাহে সোম, মঙ্গল, বুধ পরপর তিন দিন তাইওয়ানের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে চিন। আর তার জেরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে সেখানে। স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চিন।

সম্প্রতি উচ্চপদস্থ মার্কিন আধিকারিকেরা তাইওয়ান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। আর তার আগে একের পর এক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়ার চেষ্টা করে চিন।

তাইওয়ানের মেনল্যান্ড অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলের ডেপুটি মিনিস্টার চিউ চুই চেং বলেন, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে এভাবে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার বিষয়টাকে মোটেই ভালোভাবে দেখছেন না তাঁরা। এভাবে তাইওয়ানের নৌসীমা ও আকাশ সীমা লঙ্ঘন করায় স্টেটাস কো নষ্ট হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, সোম, মঙ্গল ও বুধবার চিন তাইওয়ানের আকাশসীমায় দুটি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। গত সপ্তাহে চিন ফাইটার জেট ও বম্বার সহ মোট ৩৭টি বিমান পাঠিয়েছে চিন। যেগুলি তাইওয়ানের বিভিন্ন জায়গায় উড়েছে।

চিন তাইওয়ানকে নিজেদের এলাকা হিসেবে দাবি করে। গত সপ্তাহে ওই আইল্যান্ডের কাছে একাধিক সামরিক মহড়া চালিয়েছে চিন। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে Su-30 ও Y-8 ফাইটার জেট রয়েছে সেইসব চিনা এয়ারক্রাফটের মধ্যে, যেগুলি ওই দেশের আকাশে ঢুকেছে। বারবার এভাবে শান্তি নষ্ট না করতে আর্জি জানিয়েছে তাইওয়ান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.