বেজিং: ছাঁটাই চলছে চিনা সেনায়৷ পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ-র আয়তন এখন ২০ লাখের মতো৷ তিন লক্ষ সেনাকে ছাঁটাই করা হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ ২.৩ মিলিয়ন সেনা সমৃদ্ধ চিনা সেনার এখন আয়তন ২ মিলিয়ন বা ২০ লাখ৷

পরিমাণ নয়, সেনার গুণগত মানের ওপর জোর দিতে চাইছে পিএলএ৷ সোমবার চিনের প্রিমিয়ার লি কেকিয়াং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে বক্তব্য রাখাকালীন এক বিবৃতি দেন৷ সেখানে জানানো হয় এশিয়ার সর্ববৃহৎ সেনা এখন আধুনিক সমরাস্ত্রে শক্তিশালী৷ তাই সেনা সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ চিনা সেনা এখন আধুনিক যুদ্ধের রাস্তায় হাঁটতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে৷

লি জানিয়েছেন ৩ লক্ষ সেনা সংখ্যা কমানোর লক্ষ্য ছিল চিনের৷ তা পূর্ণ হয়েছে৷ এখন চিনা সেনার সংখ্যা ২ মিলিয়ন৷ সেনার মুখপত্র, দ্যা পিএলএ ডেইলি তাদের প্রতিবেদনে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছে৷ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে মূলত অ-সেনাকর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে৷ সেনা সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত ২০১৫ সালেই নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং৷

১৯৮০ সালে চিনা সেনার সংখ্যা ছিল ৪.৫ মিলিয়ন৷ ১৯৮৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৩ মিলিয়ন বা ৩০ লক্ষে৷ পরে আরও কমানো হয় সেনা সংখ্যা৷ সর্বশেষ হিসেবে ২.৩ মিলিয়ন সেনা ছিল চিনের৷ যা ২০১৮ সালে আরও কমানো হল৷

শুধু সেনা কমানোই নয়৷ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে৷ মোট ৫০ জন জেনেরাল পদাধিকারীকে বহিস্কৃত করা হয়েছে৷ ব্যায়ভার কমাতেই উচ্চপদস্থদের বহিস্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রিমিয়ারের বিবৃতিতে৷

প্রসঙ্গত, চিনের সামরিক ব্যয় ১৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা দেশটির জিডিপির দুই শতাংশ। বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের নয় দশমিক পাঁচ শতাংশ করে চিন ব্যয় করে তাদের সামরিক বাহিনীর জন্য। আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে চীনের অবস্থান তৃতীয়।

এ দেশের স্থলসীমার দৈর্ঘ্য প্রায় ২২ হাজার ৮০০ কিলোমিটার। পিএলএ-র হাতে রয়েছে ১০ হাজার ট্যাংক, অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল ইউনিট এবং ২৪০টি পারমাণবিক অস্ত্র। পিএলএ নৌবাহিনীতে রয়েছে ৩৫ হাজার কোস্টাল ডিফেন্স ফোর্স। ৫৬ হাজার মেরিন সেনা এবং ৫৬ হাজার রয়েছে পিএলএএন অ্যাভিয়েশনে যারা কয়েকশ বিমান এবং হেলিকপ্টার পরিচালনা করে। নৌবহরে রয়েছে একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ, ২৭টি উভচর যুদ্ধজাহাজ, ৪৮টি ফ্রিগেজ জাহাজ, ২৭টি ডেস্ট্রয়ার, ১৫টি কারভিটি জাহাজ, ১০টি নিউক্লিয়ার সাবমেরিন, ৪০টি সাবমেরিন।

পিএলএ বিমানবাহিনীতে রয়েছে : ৩৭০টি জঙ্গিবিমান, ১১৮টি বোমারু বিমান এবং ১ হাজার ১৩০টি যুদ্ধবিমান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.