নয়াদিল্লি: না সময়টা মোটেই ঠিক যাচ্ছে না পাকিস্তানের জন্য। এবার ইমরান খানের দেশকে বড় ধোঁকা দিল ‘পরম বন্ধু’ চিনও। এন 95 মাস্কের বদলে আন্ডারওয়ার তৈরির কাপড়ের মাস্ক পাঠাল চিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর এখন রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। আর এতে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের।

প্রকৃতপক্ষে করোনা বিভীষিকা রূপ ধারন করেছে পাকিস্তানে। কোনও ভাবেই করোনাকে বাগে আনতে পারছে না ইমরান খানের সরকার। এমতাবস্থায় করোনা ঠেকাতে বন্ধু চিনের ওপরই ভরসা করেছিল ইমরান খান। কিন্তু সেই ভরসার মর্যাদা দিল না চিন। বিপদের সময় হাত তুলে নিল তাঁরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা মেনে মাস্ক চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেখানে তাঁরা চিনের কাছ থেকে পেল আন্ডারওয়ার তৈরির কাপড়ের মাস্ক। একাজের জন্য রীতিমতো চটেছে পাক স্বাস্থ্যকর্মী তথা পাকিস্তানি মিডিয়া। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এর জন্য চিনকে রীতিমতো আক্রমণ করেছে। চিনা প্রশাসনকে ভৎর্সনা করেছে পাক মিডিয়া।

 

জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে এসে পৌঁছেছে চিনের তৈরি ওই মাস্ক। এক পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের ধারাভাষ্যকার সংবাদ পরিবেশনের সময় বলেন, “চুনা লাগিয়ে দিল চিন”। ওই সংবাদটি থেকেই জানা যায়, সিন্ধু প্রদেশে ওই মাস্ক আসার পর তা কোনও রকম পরীক্ষা না করেই হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় সিন্ধু প্রশাসন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ব্যাপারটা প্রকাশ্যে আশে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ওই মাস্কে করোনা ঠেকানোর মতো ব্যবস্থা নেই। তাঁরা ওই মাস্ককে নিছকই ‘মজা’ বলে দাবি করেছেন। এহেন ঘটনায় বিশ্বের সামনে নাক কাটা গেল পাকিস্তানের। চরম বিপদের সময় পাশ থেকে সরে দাড়াল বন্ধু চিনও। এখন দেখার কিভাবে করোনা রোধে সক্ষম হন ইমরান খান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।