ওয়াশিংটনঃ  তাইওয়ান নিয়ে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে আমেরিকা এবং চিনের মধ্যে। তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ ভাবে চিন। যদিও আমেরিকা তা মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশ দুদেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। যখন উত্তেজনা তুঙ্গে এই পরিস্থিতিতে আকাশসীমা অতিক্রম করল চিনের দুটি যুদ্ধবিমান। তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করে নিজেদের শক্তি-প্রদর্শন করে লালফৌজ।

তাইওয়ানের ক্ষেপণাস্ত্রে চিনের যুদ্ধবিমানের এই গতিবিধি ধরা পড়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই মুহূর্তে তাইওয়ানে রয়েছেন মার্কিন স্বাস্থ্য প্রধান আলেক্স আজারে। আর ঠিক সেই সময় চিনের এই শক্তি-প্রদর্শন। যা অনেকটা উস্কানি হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, মার্কিন স্বাস্থ্য প্রধানের তাইওয়ান সফর যে মোটেই ভালোভাবে বেজিং নিচ্ছে না বোঝাতেই চিনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। যদিও পালটা তাইওয়ানকে বিশেষ বন্ধু হিসাবে দেখছে আমেরিকা। চিনকে বার্তা দিতে সে দেশে অস্ত্রও বিক্রি করতে চায় আমেরিকা।

এমনই একাধিক বিষয়ে আলোচনা সারতেই তাইওয়ান সফরে মার্কিন স্বাস্থ্য প্রধান আলেক্স আজার। এক প্রস্ত তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত চার দশকে এত বড় মাপের মার্কিন কর্তার তাইওয়ান সফর এটাই প্রথম।

আগে কখনও মার্কিন কেউ তাইওয়ান সফর করেছে কিনা মনে করতে পারছে না কেউই। আজার বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানের সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক চান, তাইওয়ানের পাশে আছেন। সেই বার্তা দিতে আমার এখানে আসা। এটা সত্যিই সম্মানের। এমনকী মারণ করোনা ভাইরাস যেভাবে তাইওয়ান সামলাচ্ছে তার ভুয়সী প্রশংসাও করেন ওই মার্কিন কর্তা।

পালটা তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টও জানিয়েছেন আজারের সফর অতিমারি বিরোধী লড়াইয়ে দু-দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াবে। তাইওয়ান এবং আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্ব মোটেই ভালো চোখে দেখে না চিন। আর এর মধ্যেই মার্কিন স্বাস্থ্য কর্তার তাইওয়ান সফর মোটেই ভালো ভাবে নিচ্ছে না বেজিং।

আর তা বোঝাতেই জে ১১, জে ১০ যুদ্ধবিমান পাঠায় চিন। যদিও দুটি যুদ্ধবিমানকে ধরে ফেলে ভূমি থেকে্ আকাশে ছোঁড়া যুদ্ধবিমান ধ্বংসকারী ক্ষেপনাস্ত্রও। এই নিয়ে তৃতীয়বার তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকল চিনা যুদ্ধবিমান। শেষবার ২০১৬ সালে এমনটা হয়েছিল। এদিন তাইওয়ানের আকাশসীমা ক্রশ করতেই অ্যালার্ট জারি করে দেওয়া হয়। তাইওয়ানের যুদ্ধবিমানকে প্রস্তুত করা হয়। দেওয়া হয় হাই-অ্যালার্ট। চিনের এহেন উস্কানির পরেই তাইওয়ানের আকাশে উড়তে দেখা যায় একাধিক যুদ্ধবিমান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।