বেজিং: তাইওয়ান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন এক উচ্চপদস্থ মার্কিন কূটনীতিক। আর তাতেই বেজায় চটেছে বেজিং। এরপরই তাইওয়ানের দিকে একের পর এক বোমারু বিমান পাঠাল চিন।

শুক্রবার এক বড়সড় সামরিক মহড়া চালিয়েছে চিন। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই মার্কিন কূটনীতিক এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক চালায় তাইওয়ানে।

তাইওয়ানের মন্ত্রীদের সঙ্গে সম্প্রতি এই বৈঠকে ছিলেন মার্কিন সচিব কেথ ক্রাচ। তাইওয়ানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি মধ্যাহ্নভোজে সেখানকার শিল্পপতিদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি।

ক্রাচের এই সফর মোটেই ভালো চোখে দেখেনি বেজিং। তাই সেই ঘটনার জবাবে চিনের ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড বড়সড় সামরিক মহড়া চালিয়েছে। চলতি মাসে এটা দ্বিতীয় বড়সড় ওয়ার গেম।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স জোন পেরিয়ে ২ টি বম্বার ও ১৬ টি ফাইটার জেট ঢুকে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাইওয়ানের দিক থেকে যুদ্ধবিমান ছুটে যায়।

এর আগে চলতি মাসেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়তে দেখা যায় চিনা ফাইটার জেট।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে চিনের কাছে শান্তির আর্জি জানানো হয়।

চিন তাইওয়ানকে নিজেদের এলাকা হিসেবে দাবি করে।সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানায়, Su-30 ও Y-8 ফাইটার জেট রয়েছে সেইসব চিনা এয়ারক্রাফটের মধ্যে, যেগুলি ওই দেশের আকাশে ঢোকে। বারবার এভাবে শান্তি নষ্ট না করতে আর্জি জানিয়েছে তাইওয়ান।

এভাবেই প্রতিমুহূর্তে হুমকি দিচ্ছে, চাপ বাড়াচ্ছে লাল চিন। লাগাতার দখলের হুমকি দিচ্ছে চিন। অদূর ভবিষ্যতে হংকংয়ের মতো পরিণতি হতে পারে তাদেরও।

অগস্টের শেষের দিকে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, তাইওয়ান প্রণালী দিয়ে চিন আক্রমণ করলে সেক্ষেত্রে সেনা, অ্যান্টি-ক্র্যাফট, অ্যান্টি-শিপ মিসাইল কিভাবে ছোঁড়া হবে সেই মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান।

ভিডিওটি প্রকাশ করার সময়, চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাইওয়ান জানিয়েছে, পরে এই দ্বীপরাষ্ট্রের নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতা দেখে তাঁদের যেন কেউ ছোট না করে। বারবার বলা হয়েছে চায়না লিবারেশন আর্মির উসকানিমূলক কাজ কোনওভাবেই কাজে লাগবে না।

উল্লেখ্য, দ্বীপের কাছাকাছি সেনা মোতায়েন করেছে লাল চিন। ১.৪ বিলিয়ন ডলার বাজেট বৃদ্ধি করেছে তাইওয়ান। ইতিমধ্যেই তাইওয়ানের মাটিতে মিলিটারি কার্যকলাপ বাড়িয়েছে চিন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।