বেজিং : একের পর এক ধাক্কা। কখনও সীমান্তে চিনা সেনার অনুপ্রবেশকে সফল ভাবে প্রতিহত করা, কখনও শতাধিক চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আর্থিক দিক থেকে ধাক্কা। সব দিক থেকেই চিন কিছুতেই বাগে আনতে পারছে না ভারতকে। অগত্যা কড়া সমালোচনাতেই বিদ্ধ করে রণে ভঙ্গ দিচ্ছে বেজিং।

বৃহস্পতিবার চিনের বাণিজ্য মন্ত্রী চিনা অ্যাপ বাতিল ইস্যুতে ভারতের কড়া সমালোচনা করেন। ভারত যেন নিজের ভুল শুধরে নেয়, এই দাবি করেছেন তিনি। চিনা বাণিজ্য মন্ত্রকের মুখপাত্র গাও ফেং এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন চিনা বিনিয়োগকারী ও রফতানিকারকদের স্বার্থ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হল।

উল্লেখ্য পাবজি অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ভারত এক নম্বরে ছিল। প্রায় ১৭৫ মিলিয়ন মানুষ এটি ডাউনলোড করেছিলেন। মোট ব্যবহারকারীর ২৪ শতাংশই ছিলেন ভারতীয়। তবে, মোদী সরকার ঘোষণা করলেও রাত ১২ টার পরেও কাজ করেছে পাবজি গেম। এমনকি সেটি প্লে স্টোরে এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরেও মিলেছে। তবে মনে করা হচ্ছে বৃহস্পতিবারের পর থেকেই এই অ্যাপ প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোর থেকে সরে যেতে পারে।

এরই মধ্যে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে এই ধরণের অ্যাপ দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তার জন্য সঠিক নয় বলেই মনে করছে কেন্দ্র। ফলে এই সিদ্ধান্ত।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এইসব অ্যাপ ভারতের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে চিনের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে লাদাখে। আর তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই তালিকায় রয়েছে উইচ্যাট, বাইডু-র মত একাধিক অ্যাপও।

এর আগে গালওয়ানে চিন-ভারত সংঘাতের পর ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল ৪৭ টি অ্যাপ। যার মধ্যে ছিল হেলো, টিক টক, বুউটি প্লাসের মত একগুচ্ছ জনপ্রিয় চিনা অ্যাপ। ওই সব অ্যাপের মাধ্যমে চিনের সার্ভারে ডেটা চলে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে ভারতের তরফে।

পরপর দু’দফায় একগুচ্ছ চিনা অ্যাপ ব্যান করে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথম দফায় ৫৯টি ও পরের দফায় ৪৭ টি অ্যাপ ব্যান করা হয়। লাদাখে ভারত-চিন সংঘাত যখন চরমে, তখন জুন মাসের শেষে, ২৯শে জুন রাতারাতি ৫৯টি চিনা অ্যাপ বাতিল ঘোষণা করে কেন্দ্র। ভারত-চিন সংঘাতের পরই একধাক্কায় ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেয় মোদী সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I