বেজিং: রাষ্ট্রসংঘে লাকভি ইস্যুতে বাগড়া দেওয়ার পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে চিনা বিদেশমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, ব্যাপারটি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। বিষয়টি তাঁরা খতিয়ে দেখছেন। শুধু তাই নয়, তার পরেও ভারতকে চিন বলেছিল যে, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযানে তারা যৌথ শরিক। কিন্তু লালচিনকে বিশ্বাস করা যে কত শক্ত, তার প্রমাণ আবারও মিলল। লাকভি ইস্যুতে আবারও চিন জানাল, তারা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। তাদের দাবি, বেজিং যা বলে তা ‘তথ্যের ভিত্তিতে’ বলে এবং ‘বিষয়বস্তুর উপর ভর করে’ ও ‘স্বচ্ছতার নিরিখে’ বলে।

এই ভাষাতেই লাকভি ইস্যুতে ভারতের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নিজের মূল্যবান ভেটো প্রয়োগের কারণ ব্যাখ্যা করল চিন। রাষ্ট্রসংঘের সভায় ভারতের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তাদের ভেটো প্রয়োগের যুক্তি তুলে ধরতে গিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চিনউং সাংবাদিকদের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চিন ১২৬৭ কমিটির সব বিষয়েই মত পেশের ক্ষমতা ধরে। এবং সে বিষয়ে চিন স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠা বজায় রাখার চেষ্টা করে।” একইসঙ্গে চিনের দাবি, ভারতের প্রস্তাব সেই সময় মেনে নেওয়া তার কারণ, সেক্ষেত্রে বাস্তবতা ও সত্য যাচাইয়ের অবকাশ থাকত না।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবারই রাশিয়ার উফায় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে মোদী বৈঠক করেন চিনা প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের সঙ্গে। সেখানেই রাষ্ট্রসংঘে লাকভি ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে বাগড়া দেওয়া নিয়ে জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলেন মোদী। আর তার চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই চিনের এই মূর্তি।