বেজিং: অরুণাচল প্রদেশে ঢুকে চিনের গ্রাম তৈরি করার খবর কিছুদিন আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। এবার সেই গ্রাম নিয়ে সাফাই গাইল বেজিং। স্পষ্ট জানিয়ে দিল তারা নিজেদের ভূখণ্ডের মধ্যেই গ্রাম তৈরি করেছে। এই ঘটনা নিতান্তই ‘স্বাভাবিক’।

তবে এই প্রথমবার যে চিন অরুণাচল প্রদেশের উপর নিজের দাবি তুলল তা নয়। এর আগেও, চিন এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। যে অঞ্চলটিকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ বলে উল্লেখ করা হয়, সেই অঞ্চলের বাসিন্দাদের স্ট্যাপল ভিসা দিয়েছে। মার্কিন-ভিত্তিক একটি ইমেজিং সংস্থা প্ল্যানেট ল্যাবসের স্যাটেলাইটের কতগুলি ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে যে চিন অরুণাচল প্রদেশের সুবানসিরি গ্রামে একটি গ্রাম তৈরি করেছে।

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, চিন ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এনিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্ট দেখেছে তারা। গত কয়েক বছরে চিন এমন কাণ্ড ঘটাচ্ছে বলেও জানায় বিজেশ মন্ত্রক।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসা মাত্রই কংগ্রেস সরকারকে এনিয়ে আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর ভাবমূর্তি জাতীয় সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করেন।

স্যাটেলাইট ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে যে চিন অরুণাচল প্রদেশের ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একটি পুরো গ্রাম তৈরি করেছে। মোদী সরকার কি এর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেম করবে না? যদি এরপরও মোদী চুপ থাকে তবে প্রমাণ হবে যে চিন বুঝতে পেরেছে প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর ভাবমূর্তিকে জাতীয় সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে রেখেছেন।
চিনের তৈরি করা ওই গ্রামে ১০১টি বাড়ি রয়েছে৷

গত বছর ১ নভেম্বর এই চিত্র স্যাটেলাইটে ধরা পড়েছিল৷ বিতর্কিত সীমান্ত পেরেয়ি ভারতের মাটিতে চিনা নির্মাণের এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে৷ ওই টিভি চ্যানেলের দাবি, ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই গ্রাম গড়ে উঠেছে৷ যা ভারতের কাছে দুঃশ্চিন্তার বড় কারণ৷

২০১৯ সালে একই জায়গার উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছিল ঝোপ জঙ্গলের ছবি৷ সেখানেই এখন গড়ে উঠেছে আস্ত একটি গ্রাম৷ আপার সুবানসিরি জেলায় সারি চু নদীর তীরে এই গ্রাম তৈরি করা হয়েছে৷ এই অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতের সঙ্গে বিবাদ রয়েছে৷

অতীতে এখানে একাধিকবার সংঘর্ষও হয়েছে৷ গত কয়েক দশক ধরে হিমালয়ের পশ্চিম প্রান্তে লাদাখ সীমান্তে চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত ও চিনা সেনা৷ এরই ফাঁকে হিমালয়ের পূর্ব প্রান্তে ভারতে ঢুকে গ্রাম নির্মাণ করে ফেলেছে চিন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।