বেজিং: বিশ্ব জুড়ে ক্রমেই বাড়ছে করোনার প্রকোপ। ইতিমধ্যে একাধিক দেশের অর্থনীতি কার্যত ধসে গিয়েছে এই করোনা ভাইরাসের জেরে। এরই মধ্যে চিনে আবার নতুন করে করোনা সংক্রমণ হতে শুরু করেছে। এবার এক বিশেষ মেডিক্যাল টিম পাঠানো হল চিনে জিনজিয়ানে। করোনার আক্রমণ নাকি আচমকাই বেড়ে গিয়েছে সেখানে। নতুন করে ৪০ জন আক্রান্ত হওয়ায় এবং তার মধ্যে ২৩ জন অ্যাসিম্পটোমেটিক হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে চিনের তরফে।

জানা গিয়েছে, ওই বিশেষ চিকিৎসক দলকে পাঠানো হয়েছে জিনজিয়ানের রাজধানী উরুউমকিতে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পরিস্থিতির উপর নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই জারি কড়া হয়েছে সতর্কতা। জানা গিয়েছে জিনজিয়ানে এটি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা। আর সেই কারণেই আরও তৎপরতার সঙ্গেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মূলত এই অঞ্চলে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের আধিক্য।বিগত কিছুদিন ধরেই বিশেষ ক্যাম্পে উইঘুর মুসলিমদের রাখা নিয়ে শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা। যদিও চিনের তরফে জানানো হয়েছিল ওই ক্যাম্প গুলি শিক্ষামূলক ক্যাম্প। উরুমকির তরফে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে ১৭ জন নিশ্চিত ভাবে আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। পাশাপাশি বিগত ৪ দিনের মধ্যে নতুন করে ২৩ জন অ্যাসিম্পটোমেটিক আক্রান্ত ধরা পড়ায় ক্রজ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

পাশপাশি গোষ্ঠী সংক্রমনের বিষয়টি নিয়েও শুরু হয়েছে উদ্বেগ। যদিও স্থানীয় স্বাস্থ্য দফতর এবং চিকিৎসকদের তরফে স্থানীয়দের আতঙ্কিত হতে বারণ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে সামান্য উপসর্গ দেখা দিয়েছে তাদের ইতিমধ্যে তত্ত্বাবধানে রাখা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে কার্যত লাল সতর্কতা জারি করে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই।

পাশাপাশি স্থানীয় সকলকেই সতর্ক কড়া হয়েছে। চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তরফে দ্রুত একটি বিশেষজ্ঞদের দলকে জিনজিয়ানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা সেখানকার পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। দ্রুত এইভাবে আক্রান্তের হার বেড়ে যাওয়াতেই স্থানীয় প্রশাসনের তরফে লাল সতর্কতা জারি কড়া হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে শুরু হয়েছে আপৎকালীন পরিষেবা। তবে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৩৬৪৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৮৭৫৮ জন। এছাড়া মারা গিয়েছেন ৪৬৩৪ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।