প্রতীকী ছবি

বেজিং: ওড়ার সময় ধাক্কা খেল চিনা রকেট। ধ্বংস হয়ে গেল ৬ টি স্যাটেলাইট। শুক্রবারই Kuaizhou-11, লঞ্চ করে। কিন্তু যান্ত্রিক গোলোযোগে ওড়ার পরই ভেঙে যায় সেই রকেট। Kuaizhou-11 নামে ওই সলিড ফুয়েলড রকেট লঞ্চ করা হয়।

শুক্রবারই চিনের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে ওড়ানো হচ্ছিল ওই রকেট। কিন্তু ওড়ার পরই ব্যথর্ হয় ওই স্যাটেলাইট।

এমনিতেই ওই রকেট ওড়ানোর বিষয়টি তিন বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ৭০.৮ টন নিয়ে ওড়ার কথা ছিল ওই রকেটের।

এর আগে চিনে যেসব রকেট লঞ্চ করা হয়েছে, তার থেকে এর পরিধি বেশ কিছুটা বড়। ২০১৮-তে এটি প্রথম লঞ্চ করার কথা ছিল। পরে ২০১৯-এ একটি ব্যর্থ হয়। ইঞ্জিন টেস্টের সময়ই ব্যর্থ হয়েছিল সেবার।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মিনিট খানেক পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় পযফায়ের সেপারেশনের সময় সেরকম কোনও অসুবিধা হয়নি।

এই নিয়ে এবছর তৃতীয়বার মহাকাশ অভিযানে ব্যর্থ হল চিন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চিন সবচেয়ে ভারী রকেট ‘লং মার্চ ফাইভ’ এর সফল উৎক্ষেপণ করেছিল।

২৫ টন ওজনের রকেটটি একসাথে অন্তত ২০টি স্যাটেলাইট বহন করতে সক্ষম। এর আগে দুইবার চেষ্টা করেও রকটেটি উৎক্ষেপণ করতে ব্যর্থ হয় চিন। পরে ডিসেম্বরে সেটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।
সবশেষ ২০১৭ সালে ইঞ্জিনে সমস্য দেখা দেয়ায় উৎক্ষেপণ বাতিল করা হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।