নয়াদিল্লি : অনড় অবস্থানে চিন। কোনও ভাবেই প্যাংগং নিয়ে কথা বলতে রাজি নয় তারা। চিনের এই অনড় মনোভাবের জন্য ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে সমাধানসূত্র। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন উদ্দ্যেশ্যপ্রমোদিত ভাবেই এই ধরণে একরোখা মনোভাব নিয়ে বৈঠকে বসছে চিন। এর জেরে তারা বুঝিয়ে দিতে চাইছে প্যাংগং লেক থেকে কোনওভাবেই সেনা সরাবে না তাঁরা।

উল্লেখ্য, দ্বিমুখী আচরণ থেকে কিছুতেই বেরোতে পারছে না চিন। বেজিংয়ের এই আচরণে বারবার বৈঠক ব্যর্থ হচ্ছে। এবার নতুন করে সীমান্ত সমস্যা তৈরির চেষ্টা করছে ভারতের এই প্রতিবেশি দেশ। সূত্রের খবর উত্তরাখন্ডের কাছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন লিপুলেখ এলাকায় টহল দিয়েছে চিনা সেনা। সেখানে নাকি সেনা সংখ্যা বৃদ্ধি করছে বেজিং।

একদিকে যখন চিন একাধিক বার ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসছে, তখন নতুন করে সীমান্তে চিনা সেনার আনাগোনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিনের এই দ্বৈত মনোভাবের কড়া সমালোচনা করেছে নয়াদিল্লি। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট বলছে উত্তরাখণ্ডের ওই এলাকায় সেনা মোতায়েন করেছে বেজিং।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুসারে চতুর্থ দফার বৈঠকে প্যাংগং নিয়ে কথা বলতে চায়নি চিন। ফলে এই ইস্যুতে চিনা সেনার অবস্থান ও সেনা সরানো নিয়ে জটিলতা থেকেই গিয়েছে।

রবিবার ফের বৈঠকে বসে দুই দেশের উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকরা। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, মলডোয় কমান্ডার পদের এই বৈঠকের আলোচ্য বিষয় প্যানগং-গোগড়ার বর্তমান পরিস্থিতি। চিন আগে প্যানগং ও গোগড়া থেকে সেনা সরানোর কথা বললেও বৃহস্পতিবার ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই দেশই সম্মতি দিলেও এখনও পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করেনি চিন। মার্চের পর থেকে এই নিয়ে পঞ্চম দফা বৈঠক হতে চলেছে চিনের সঙ্গে।

তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী পঞ্চম দফার বৈঠকেও একই ছবি। এই বৈঠকেও প্যাংগং নিয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছে না বেজিং। ভারতীয় সেনার লেহ কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিং ও চিনের তরফে মেজর জেনারেল লিন লিউ বৈঠকে বসেন।

দু তরফে মৌখিক সৌজন্য বিনিময় হলেও, কোনও উপহার আদান প্রদান হয়নি। তার প্রথম কারণ করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা। দ্বিতীয়ত ভারত ও চিনের মধ্যে গত ৯০ দিন ধরে চলা সংঘাতের জের।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও