নয়াদিল্লি : গালওয়ান ভ্যালিতে ঠিক কতজন সেনা মারা গিয়েছিল ১৫ই জুন, তা কিছুতেই প্রকাশ করতে চাইছে না চিন। সোমবার চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে পিএলএ-র ঠিক কতজন জওয়ান মারা গিয়েছে, তা তারা জানাতে চায় না। তাই নতুন করে চিনের মৃত জওয়ানদের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলার নেই।

বেজিংয়ে সোমবার চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান জানান, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে। এর মাঝে যদি চিন নতুন করে মৃত চিনা জওয়ানদের তালিকা প্রকাশ করে, তবে ফের ভারত চিনের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা ভেস্তে যাবে, যা দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্কের সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে হানিকারক। এর আগে, ৪০ জনেরও বেশি চিনা সেনা মারা গিয়েছে, এই তথ্যের ওপর সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান ভি কে সিং।

তিনি বলেছিলেন, ঠিক কতজন মারা গিয়েছেন গালওয়ান ভ্যালিতে তার কোনও সঠিক তথ্য চিন এখনও দেয়নি। তারই প্রেক্ষিতে এদিন চিনের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। চিন এদিন জানিয়েছে ভারতের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষ বা মনোমালিন্য চায় না তারা। তাই মৃত চিনা সেনাদের প্রকৃত তালিকা তারা প্রকাশ করতে চাইছে না।

১৫ই জুন রাতে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান ভ্যালিতে ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে য়ে হাতাহাতি সংঘর্ষ হয়, তাতে কোনও ভারতীয় জওয়ান নিখোঁজ হননি। নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট খারিজ করে পরিস্কার জানিয়ে দিল ভারতীয় সেনা।

প্রত্যেক জওয়ান যারা ওই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের খোঁজ মিলেছে। যারা শহিদ হয়েছেন ও যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে বাকিরা নিরাপদেই রয়েছেন। ভারতীয় সেনা বৃহস্পতিবার জানায়, যে তথ্য ওই সংবাদপত্রে বেরিয়েছে, তা সত্য নয়। ভিত্তিহীন বলে ওই রিপোর্টকে উড়িয়ে দিয়েছে সেনা। এদিকে, সংঘর্ষ প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বেজিং।

তারা জানিয়ে দেয় ভারতের সঙ্গে নতুন করে কোনও ঝামেলায় জড়াতে চাইছে না তাঁরা। আগেই চিনা বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে ছিল সোমবার নাকি পর পর দুবার সীমান্ত পার করে চিনের দিকে ঢোকার চেষ্টা করে ভারতীয় সেনা। চিনের সেনাবাহিনীকে উত্যক্ত করা হয়।

শুধু তাই নয়, চিনের বাহিনীর উপর আক্রমণ করা হয় বলেও ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তোলা হয়। বারবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর এহেন উস্কানির জবাব শুধুমাত্র তারা দিয়েছে বলে দাবি লাল চিনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.