বেজিং: বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর কবলে কয়েক লক্ষ মানুষ। পাশপাশি মৃত্যুর হারও থেমে নেই এই ভাইরাসের কবলে পড়ে। চিনের ইউহান প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের কারণে কার্যত গোটা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্কিত মানুষজন। পরবর্তীকালে চিনে করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ফের মনে করা হচ্ছে চিনে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে রাজধানী বেজিং এ কয়েকজন আক্রান্ত হয়েছেন এই ভাইরাসে।

সাম্প্রতিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে চিনের বেজিং এবং হুবেই প্রদেশে নতুন করে ১০০ জনের কাছাকাছি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই ভাইরাসে। জানা গিয়েছে নতুন করে ১২ জন সংক্রমিতের খবর সামনে এসেছে। এছাড়া ১১ জন আক্রান্তের সঙ্গে কোন না কোনভাবে শিনফাদি বাজারের সঙ্গে সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে বেজিং থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে আনশিন শহর কার্যত করা নিষেধাজ্ঞাতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। যেমনটা করা হয়েছিল ইউহান প্রদেশে। নতুন করে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেজিং এ আক্রান্তের খবর সামনে আসার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন করে করোনা সংক্রমণের খবর সামনে আসাতে কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পরেছেন সাধারন মানুষ। ফের মহামারীর কবলে যাতে পড়তে না হয় সেই কারণে ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে শুরু হয়েছে পদক্ষেপ। ইতিমধ্যে রাজধানীতে শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের উপরে পরীক্ষা। ইতিমধ্যে ৮.৩ মিলিয়ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৭.৭ মিলিয়ন ইতিমধ্যে পরীক্ষা করা হয়ে গিয়েছে। প্রাথমিক দফাতে চিনের ইউহান প্রদেশে করোনা সংক্রমণ হলেও পরবর্তীকালে তা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।