নয়াদিল্লি: গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও ক্রমশ বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রায় ৭০০ এর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনাকে জব্দ করতে গোটা দেশে ২১ দিনের লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই সেই নির্দেশিকা মানছেন না। রাস্তায় নেমে পড়ছেন। যদিও পুলিশের কড়া ভূমিকায় মুহূর্তে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট। কারণ যেভাবেই হোক করোনার বিরুদ্ধে জয় পেতেই হবে ভারতবাসীকে। যেভাবে ভারত করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে তা বিশ্বের কাছে উদাহারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তা দেখে ভারতের প্রশংসা করল কমিউনিস্ট চিন।

তাঁদের আশা, ভারত করোনার সংক্রমণ থেকে আগেভাগে মুক্তি পাবে। নয়াদিল্লিতে চিনা দূতাবাসের তরফে এক বিবৃতিতে এমনই আশা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, করোনা ভাইরাসে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল চিন। সেই অবস্থায় বেজিংয়ের পাশে দাঁড়ায় ভারত। সেই কারণে ভারতকে কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেনি বেজিং। একই সঙ্গে করোনা নিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে চিনের তরফে।

নয়াদিল্লির চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং এই বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি তাঁর বিবৃতিতয়ে বলেছেন, ইতিমধ্যে চিনের সংস্থাগুলি ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। অনুদান দিতে শুরু করেছে। ভারত চাইলে তাঁর দেশ আরও সাহায্য করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন জি রং। বর্তমানে চিনে অনেকটাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে। উঠে গিয়েছে লক ডাউনও। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি।

কিন্তু যখন চিনে মহামারীর আকার নিয়েছিল করোনা সেই সময় ভারত চিনকে সাহায্য করেছিল। করোনার উৎসস্থল উহান বলেই মনে করা হয়। সেই উহানে মাস্ক, গ্রাভস-সহ ১৫ টন জরুরি মেডিক্যাল সামগ্রী পাঠিয়েছিল ভারত। এই বিষয়টি উল্লেখ করে বিবৃতিতে জি রং এর বক্তব্য, ভারত চিনকে মেডিক্যাল সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছিল। তা ছাড়া নানা ভাবে ভারতের মানুষও চিনের যুদ্ধে পাশে দাঁড়িয়েছিল। তার জন্য ভারতবাসীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।

জি রং আশা করেন, ভারতীয়রা এই যুদ্ধে অনেক আগেই জয়লাভ করবে। ভারত ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে চিনও এই মহামারি রুখতে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করবে। বিশ্বের সামনে করোনার মতো যে চ্যালেঞ্জ আসবে, এক হয়ে তার বিরুদ্ধে লড়াই করবে বলে মন্তব্য করেন ভারতে নিযুক্ত চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র।