কলম্বো:  দীর্ঘ জল্পনা-বিতর্কের পর অবশেষে চিনের সঙ্গে হামব্যানটোটা সমুদ্র বন্দর চুক্তি করেছে শ্রীলঙ্কা। যদিও ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে শ্রীলঙ্কা জানিয়ে দিয়েছিল যে সেখানে কোনও রকম সামরিক কার্যকলাপ চালানো যাবে না। শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে চিনের চুক্তি মতো হা মব্যানটোটা সমুদ্র বন্দরের ৭০ শতাংশ অংশদারিত্ব এখন চিনের হাতে। বন্দরের সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে চিন। অর্থাৎ এখন থেকে ওই বন্দরের সিংহভাগ মালিকানা চিনের। লঙ্কা সরকার যতই আশ্বাস দিন না কেন, এই বিষয়টি নিয়ে খানিকটা উদ্বিগ্ন ভারতও। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরে নিরাপত্তার বিষয়টি বেশি করে ভাবাচ্ছে দিল্লির সাউথ ব্লককে।

কারণ, হামব্যানটোটা বন্দর হাতে নেওয়ার সুবাদে শ্রীলঙ্কার গভীর সমুদ্র বন্দরে অবাধ যাতায়াত করতে পারবে চিনের জাহাজ। তাতে ভারত মহাসাগরে ক্রমেই আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পেয়ে যাবে বেজিং। শুধু তাই নয়, ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ বা ওবর প্রকল্পেও হামব্যানটোটা বন্দর মূল চালিকাশক্তি হিসাবে ব্যবহার করবে চিন। সেটাও ভারতের পক্ষে খুব একটা স্বস্তির হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও লঙ্কার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে খোদ শ্রীলঙ্কার মাটিতে তৈরি হয়েছিল ক্ষোভ বিক্ষোভ। কিন্তু সেই বিষয়টিকে কর্ণপাত না করেই শেষ পর্যন্ত হামব্যানটোটা সমুদ্র বন্দর চিনকে বেচেই দিল শ্রীলঙ্কা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.