বেজিং: ভারত মহাসাগরে এক বিশেষ ট্র্যাকিং সিস্টেম বসাল চিন, যার মাধ্যমে বিস্ফোরণ ও ভূমিকম্প চিহ্নিত করতে পারবে বেজিং। জুনেই সাংহাই কো-অপারেশন সামিটে যোগ দিতে চিনের কিংদাও শহরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগেই ভারত মহাসাগরে এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল চিন। আগামী ৯ ও ১০ জুন সম্মেলনে যোগ দিতে সমুদ্রের তীরবর্তী ওই শহরে যাবেন মোদী।

আগামী এক বছরে চিন এরকম আরও পাঁচটি ডিভাইস বসাবে বলে জানিয়েছে সেদেশের এক সংবাদমাধ্যম। চিনের এইসব ডিভাইস আসলে সামরিক কাজে লাগানো হবে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

সাংহাই অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সের এক রিসার্চ ফেলো হু ঝিয়ং জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের সঙ্গে আসলে কোনও সামরিক সম্পর্ক নেই। বিদেশের মিডিয়ায় মিথ্যা প্রচার হচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে গবেষণার জন্যই এইসব ডিভাইস লাগানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সব উন্নয়নশীল দেশের আন্তর্জাতিক জলসীমার মধ্যে গবেষণা চালানোর অধিকার রয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই সিসমোমিটার ডিভাইসটি দীর্ঘদিন ধরে জলের তলায় থাকবে ও জলের নিচে কোনও ভূমিকম্প বা অন্য কোনও কম্পন সংক্রান্ত তথ্য যোগাড় করবে। কয়েকমাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ডিভাইসটি রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই প্রথমবার ভারত মহাসাগরে সিসমোমিটার বসাল চিন। লংগকি, ইউহুয়াং ও দুয়ানকিয়াও নামের তিনটি জায়গায় আগেই সিসমোমিটার বসিয়েছে চিন।

বর্তমানে ভারত মহাসাগরের যে জায়গায় চিন সিসমোমিটার বসিয়েছে, এর আগে সেখানে কোনও এই ধরনের যন্ত্র লাগানো হয়নি। নতুন সিসমোমিটারে রয়েছে অপেক্ষাকৃত বড় আকারের ব্যাটারি, যেটি এক বছর পর্যন্ত অনায়াসে কাজ করতে পারবে।