কলকাতা: রাস্তা, রেলপথ বা জলপথে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে জুড়তে একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে চিন। পাকিস্তান-নেপালের মত দেশের সঙ্গে সংযোগ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগেই। এবার সরাসরি ট্রেনে চেপেই গচিন থেকে পৌঁছনো যাবে কলকাতায়। এমন চিন্তাভাবনাও নাকি করছেন বেজিং-এর কর্তারা। বুধবার একথা জানিয়েছেন কলকাতায় চিনের রাষ্ট্রদূত মা ঝাংউ।

তিনি জানান,চিনের কানমিং থেকে সরাসরি বুলেট ট্রেন চালানো হবে কলকাতা পর্যন্ত। মায়ানমার ও বাংলাদেশ হয়ে সেই ট্রেন আসবে কলকাতায়। আর এই পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় চিন থেকে কলকাতায় পৌঁছনো যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন চিনা রাষ্ট্রদূত। এই প্রজেক্টে বাংলাদেশ ও মায়ানমারও লাভবান হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: যোগ্য জবাব! চিনের শরীর ঘেঁষে রেলপথ তৈরির সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিলেন মোদী

২৮০০ কিলোমিটারের ওই রেলপথকে কেন্দ্র করে একাধিক শিল্প তৈরির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মাবানমার করিডরে ব্যবসা বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫-তেই এরকম একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। সেইসময় চিনের ইয়ুনান প্রদেশের কুনমিং শহরে গ্রেটার মেকং সাবরিজিওন (জিএমএস)-এর একটি বৈঠক হয়। সেখানে চিনের উদ্যোগে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-চিন-ভারত-মায়ানমার (বিসিআইএম) মাল্টি-মডেল করিডর প্রকল্পের অন্তর্গত এই রেলপথের প্রসঙ্গ ওঠে। এই প্রকল্পের বিপুল খরচ মেটাতে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি) সহ আরও কয়েকটি বহুজাতিক আর্থিক সহায়তা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছিল চিন।

আরও পড়ুন: মোদীর ঘুম ছুটিয়ে নেপালে ঢুকছে চিনের ট্রেন

বস্তুত, এই করিডরের মাধ্যমে প্রাচীন ও ঐতিহাসিক ‘সিল্ক-রুট’ বা রেশম পথকে পুনরায় চালু করতে চাইছে চিন। এই করিডরের ফলে শুধুমাত্র মানুষ যাতায়াত করতে পারবেন তা নয়, ভারত-চিন পণ্যের সরবরাহ অনেক সহজ হবে।

এই করিডর নির্মাণে চিন প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করতেও রাজি। এই করিডরের মাধ্যমে প্রায় ১৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে, কুনমিং ও কলকাতার মধ্যে বিমান যাতায়াত করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।