বেজিং: করোনা ভাইরাস যে চিন থেকে ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে অনেক আগেই। পাশাপাশি, কোভিড নিয়ে চিন মিথ্যা কথা বলেছে বলেও অভিযোগ তুলেছে অনেক তাবড় দেশ। এবার সমানে এল আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

প্রকাশ্যে যত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চিন দাবি করেছে, আসলে নাকি তার থেকে অনেক বেশি আক্রান্ত হয়েছে ওই দেশে। লিক হয়ে যাওয়া একটি ডেটা বেস থেকে জানা গিয়েছে, কয়েক লক্ষ আক্রান্তের সংখ্যা লুকিয়েছে চিন।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ডিফেন্স টেকনোলজি থেকে লিক হয়ে যাওয়া ওই তথ্য আনুযায়ী, চিনে অন্তত ৬ লক্ষ ৪০ হাজার আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু চিন দাবি করেছে আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৮৪,০২৯।

‘ফরেন পলিসি’ ও ‘হানড্রেড রিপোর্টারস’ নামে দুটি সংস্থার কাছে চলে এসেছে সেই তথ্য। আর সেখানেই রয়েছে এক ডেটাবেস। যে ডেটাবেসে চিনের ২৩০টি শহরের ৬ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের এন্ট্রি রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের ল্যাটিটিউড, লংগিটিউড উল্লেখ করা আছে। দিন ক্ষণ ধরে তাদের ‘কনমার্ফড’ কেস উল্লেখ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে হয়েছে এইসব এন্ট্রি।

যেসব লোকেশনের এন্ট্রি রয়েছে, তার মধ্যে হাসপাতাল ছাড়াও রয়েছে হোটেল, সুপার মার্কেট, রেস্তোরাঁ, রেল স্টেশন, স্কুল ইত্যাদি। এমনকি কেএফসি-র ব্রাঞ্চের উল্লেখও রয়েছে সেখানে। প্রত্যেকটা এন্ট্রি যদি একেকটা পজিটিভ কেস হয়, তাহলে তার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৪০,০০০।

তবে ওই ডেটাতে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। তাই, এতগুলি কেসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছে না ‘ফরেন পলিসি’ বা ‘হানড্রেড রিপোর্টারস’ নামের ওই দুই সংস্থা। তবে ওই ডেটা বেস কোথাও প্রকাশ করেনি ওই দুই সংস্থা। যদিও সংখ্যাটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, তবে চিনের বিরুদ্ধে যে নতুন করে সন্দেহ বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার চিনকে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিদের ইউহানের ল্যাবরেটরিতে গিয়ে করোনা ভাইরাসের উৎস সম্পর্কে তদন্তের অনুমতি দিতে। তবে তা নিয়ে রয়েছে ধন্ধ।

ট্রাম্প জানিয়েছে, “আমরা যেতে চাইলে তাঁরা মুখের ওপর না করে দিয়েছে। আমাদের সাহায্য চাই না। আমার মনে হয়েছে সেটা ঠিক আছে কারণ তাঁরা নিশ্চয় জানে তাঁরা কি করছে। এটা নয় বোকামো নয় ইচ্ছাকৃত”।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন, যেহেতু চিনের ইউহান থেকে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে, তাই চিনের থেকে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে আমেরিকা। তবে তা কি হবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।