বেজিং: ইতিহাস তৈরি করে চাঁদের অন্ধকার পিঠে চিনের পাঠানো চন্দ্রযান চ্যাং ই ৪ সাফল্যের সঙ্গে অবতরণ করল৷ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে চিন এই যোগ্যতা অর্জন করল৷ সেদেশের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসে এই খবর প্রকাশ করা হয়েছে৷ এর ফলে চন্দ্র গবেষণায় নতুন দিক খুলে গেল বলে মনে করছে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা৷

গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, তাদের পাঠানো মহাকাশযান চাঁদের সাউথ পোলের এইটকেন বেসিনে অবতরণ করেছে৷ চাঁদের এই অংশটি অদেখা৷ পৃথিবী থেকে সবসময়ে চাঁদের একটি দিকই দেখতে পাওয়া যায়। তাই চাঁদের উল্টো পিঠ অর্থাৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন দিকে কী আছে তা জানতে উৎসুক সবাই৷ গবেষণা করে বিজ্ঞানীদের  জানিয়েছে, চাঁদের গায়ে বড় ও গভীর গর্তগুলি এই অংশে অবস্থিত৷ এখনও অবধি চাঁদের এই অংশটি বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা ছিল৷ কিন্তু এদিন চিনের চন্দ্রযান সাফল্যের সঙ্গে সেখানে অবতরণ করায় সেই রহস্যের উপর থেকে পর্দা উঠতে চলেছে৷

প্রথমে চিনের চন্দ্রচান চ্যাং ই ৪ এর সফল অবতরণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়৷ সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমে চিনা ডেইলি ও সিজিটিএম প্রথমে ট্যুইট করে পরে তা মুছে দেয়৷ তার দু’ঘণ্টা পর সরকারি ভাবে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়া হয়৷ জানিয়েছে, এদিন সকাল ১০টা২৬ মিনিট নাগাদ চন্দ্রযান সাফল্যের সঙ্গে চাঁদের মাটি স্পর্শ করে৷ চন্দ্র গবেষণায় নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় মাইলস্টোন৷