নিউইয়র্ক : গোটা বিশ্ব করোনার প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন খুঁজে চলেছে হন্যে হয়ে। এরই মধ্যে নয়া খবর। চিন ইতিমধ্যেই নিজের দেশের নাগরিকদের করোনার মাস ভ্যাক সিনেশন প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বলে খবর। এমনই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। রিপোর্ট বলছে, যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, তা নিরাপদ কীনা, এখনও প্রমাণিত নয়।

জাতীয় সংস্থার কর্মী, শিক্ষক, সুপার মার্কেটের কর্মী এবং যারা বাইরে থেকে এসেছেন, তাঁদের ওপরে এই ঝুঁকিযুক্ত ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রমাণিত নয় যে ভ্যাকসিন, তাতে একাধিক ক্ষতি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরেও চিন সেই কাজ করে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসক কিম মালহোল্যান্ড জানান, বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই ধরণের ভ্যাকসিন নিলে প্রাণের ঝুঁকিও থাকতে পারে। শরীরের কোনও অংশ আর কাজ না করতে পারে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশ বড় অংশের মানুষকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে প্রায় জোর করে। কোম্পানিগুলি নিজেদের কর্মীদের একটি বন্ডে সই করিয়ে নিচ্ছে, যাতে লেখা মিডিয়ার কাছে এই ভ্যাকসিনেশনের পরে কোনও রকম ভাবে মুখ খোলা যাবে না। তবে ঠিক কতজন মানুষকে এভাবে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি। প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ চিনে এই ভ্যাকসিন নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে অনুমান ওই সংবাদপত্রের।

তবে এই বিষয়ে চিনের সরকারি তরফে কোনও সাড়া না মিললেও, চিনা সেন্ট্রাল টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এক চিনা আধিকারিক জানিয়েছেন, দেশের মানুষের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে জিংপিনের সরকার।

এদিকে, ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। প্রত্যেকদিনই সংক্রমণের রেকর্ড ভাঙছে। বিশ্বের একাধিক জায়গাতে ইতিমধ্যে করোনার সেকেন্ড ওয়েভও শুরু হয়েছে। ফলে দিন দিন ক্রমশ আশঙ্কা বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত টিকা নিয়ে তেমন কোনও আশা দেখাতে পারেনি কোনও দেশ।

যদিও ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। বেশ কিছু দেশ ভ্যাকসিন নিয়ে কিছু সফল হয়েছে বলে দাবি করলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বিষয়ে কিছুই জানায়নি। ফলে আশা-নিরাশার মধ্যেই করোনায় সংক্রমণ বেড়েই চলছে। এই অবস্থায় আরও এক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনার টিকা আসার আগেই মৃতের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়াতে পারে। এমনটাই আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অতিমারী রুখতে ঠিকমত ব্যবস্থা নেওয়ার অভাবেই বাড়ছে মৃত্যু, হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।