ঢাকা: বিশ্বে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে চিনের উহান শহর থেকে। মৃত ৩ হাজারের বেশি। তবে চিন এখন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আসছেন সেই দেশের চিকিৎসকরা। ঢাকার চিনা দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই পারস্পরিক সাহায্যের ভিত্তিতে করোনা প্রতিরোধী সংগ্রামে সহমত হয়েছেন। বাংলাদেশের করোনা হামলা ক্রমে বড় হচ্ছে।

লকডাউন চললেও দ্রুত বাড়ছে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ওয়ার্ল্ডোমিটার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসেবে ২০ জন মৃত, দুশোর বেশি সংক্রামিত। আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ( হু ) জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় সদ্য করোনা হামলা থেকে মুক্তি পাওয়া চিনের উপরেই আস্থা রাখছে শেখ হাসিনার সরকার। দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের আলোচনায় ঠিক হয়, চিন সব ধরণের সাহায্য দেবে। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই আমরা বাংলাদেশ সরকাকের কাছে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য, এবং মেডিকেল টিম পাঠাতে প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, চিনে যখন এই ভাইরাস ছড়িয়েছিল তখন বাংলাদেশ তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এখন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় চিন এগিয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে করোনা মোকাবিলায় ভারতেও পৌঁছে গিয়েছে চিনা মেডিকেল কিট, সরঞ্জাম, পিপিই। ১,৭০,০০০ পিপিই দেওয়া হয়েছে ভারতকে। চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং বলেন, বাংলাদেশ সহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একসঙ্গে এই ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করা হবে। করোনার হামলায় বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি নতুন করে চাঙ্গা করতে কাজ করবে চিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।