বেজিং: মার্চ মাস থেকেঅন্য দেশ গুলিতে চার বিলিয়ন মাস্ক রপ্তানি করেছে চিন। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন থেকে এমনই জানা যাচ্ছে। সারা বিশ্বে করোনা আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছে। গোটা বিশ্বে ইতিমধ্যেই কর্নার কোপে মৃত্যু হয়েছে ৬০ হাজার মানুষের। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রত্যেকটি দেশেই করোনার চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং প্রতিরোধকারী জিনিসপত্রের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। সেইজন্যই চিন অন্যান্য দেশ গুলিতে মাস্ক পাঠিয়েছে।

১মার্চ থেকে মোট ৩.৮৬ বিলিয়ন মাস্ক, ৩৭.৫ মিলিয়ন প্রতিরোধকারী পোশাক, ১৬ হাজার ভেন্টিলেটর, ২.৮৪ টেস্ট কিট ৫০ এর বেশি দেশে পাঠিয়েছে চীন। আধিকারিক জিন হাই জানিয়েছেন।

তবে এই দেশ গুলির মধ্যে নেদারলান্ডস, ফিলিপিনস, ক্রোয়েশিয়া, টার্কি, স্পেন অভিযোগ করেছে যে চীন থেকে নিম্নমানের এবং খারাপ বেশ কিছু মেডিকেল প্রোডাক্ট এসেছে।

গত সপ্তাহেই নেদারল্যান্ডসের সরকার অভিযোগ করে, চীন থেকে ১০ লক্ষ মাস্ক এসেছে। কিন্তু তার মধ্যে ছয় লক্ষ্য মাস্ক গুণগত দিক থেকে খুবই খারাপ। এমনকি সেই মাস্ক গুলি non-surgical বলে জানিয়েছে। চিনের এক সংস্থা থেকে আসা প্রায় হাজার টেস্ট কিট ফিরিয়ে দিয়েছে স্পেন কারণ সেই গুলি ও গুনগত মানের দিক থেকমানের দিক থেকে ভাল ছিলনা।

এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে এক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম। চিনের আধিকারিকরা রবিবার সেই প্রতিবেদনের উত্তরে বলেন, এই প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ সত্য তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

চিনের বাণিজ্যমন্ত্রীরা বিকারক জিয়াং ফ্যান বলেন, আসলে অনেকগুলি বিষয় আছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় চীনের ব্যবহারিক পদ্ধতিতেও কিছু পার্থক্য রয়েছে। ঠিকভাবে যদি কেউ কোন জিনিস ব্যবহার না করে তখনও কিন্তু সে জিনিসটির গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এই সপ্তাহের প্রথম দিকে বেজিং তার মেডিকেল সামগ্রী প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি কে জানিয়ে দেয়, যেকোনো সরঞ্জাম রপ্তানি করার আগে চীনের এবং যে দেশে পাঠানো হচ্ছে তাদের সম্পূর্ণ অনুমোদন চাই।

দেশগুলিতে যেভাবে টেস্ট কিট এর ঘাটতি দেখা যাচ্ছে তার জন্য দিনে ৪০ লক্ষ বেশি বেস্ট ক্যাট তৈরি করছে। জানিয়েছে চীনের জাতীয় মেডিকেল প্রোডাক্ট দফতরের এক আধিকারিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.