স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: প্রচুর পরিমাণে চিনা সামগ্রী উদ্ধার হল হাওড়া স্টেশন থেকে। ৪০০টি চিনা মোবাইল পার্টস হায়দরাবাদে পাঠানো হচ্ছিল বলে যানা গিয়েছে। হাওড়া ৯ নম্বর প্লাটফর্ম থেকে চিনা যন্ত্রাংশগুলি আটক করে কাস্টমস টিম।

সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কাস্টমসের চিফ কমিশনার প্রমোদকুমার আগরওয়াল জানান, কুরিয়ার মারফৎ পার্টসগুলি বেআইনিভাবে ট্রেনে হায়দরাবাদে যাচ্ছিল। খিদিরপুর থেকে এগুলি পাঠানো হচ্ছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।

যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও পার্সেল ট্রেন চালিয়ে কিছুটা লাভ করতে চাইছে রেল। গোটা দেশে ১০৯ টি পার্সেল ট্রেন চালানো হচ্ছে। যার মধ্যে ৪০ টি একেবারে নতুন রুটে। এই পার্সেল পরিষেবা বেড়ে যাওয়ায় বেআইনিভাবে বহু ধরনের পণ্য যাতায়াত করছে বলে কাস্টমস অফিসারদের দাবি। এদিকে, লাদাখে চিনা আগ্রাসনের জন্য বেশকিছু চিনা পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র সরকার। তবে চোরাই পথে সেগুলি এখনও ভারতে প্রবেশ করছে এবং বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

গত জুন মাসে, কলকাতা-সহ দেশের সমস্ত বিমানবন্দর ও পোর্টে চিনা পণ্য খালাসে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কাস্টমস। তাদের তরফে পণ্য খালাসে যুক্ত সমস্ত আধিকারিকদের অভ্যন্তরীণভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেন চিন থেকে আসা পণ্য খালাস না করেন।

যে পণ্যে ইতিমধ্যে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়েছে সেগুলিকেও যেন খালাস না করা হয়। সমস্ত পণ্য ফের পরীক্ষা করে খালাস করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ভারতের আমদানীকৃত পণ্যের মধ্যে বড় অংশ দখল করে রেখেছে চিন। বিশেষ করে মধ্যবর্তী পণ্য বা উপাদান ও কাঁচামালের ক্ষেত্রে এই আধিপত্য।

বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম এবং যন্ত্রাংশ, পারমাণবিক চুল্লি, জৈব এবং অজৈব রাসায়নিক, সার, যানবাহন-যন্ত্রাংশ এবং আনুষাঙ্গিক পণ্যগুলির শীর্ষ রফতানিকারক দেশও চিন। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে, ভারতের কাছে এই পণ্যগুলির দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানিকারক দেশগুলির তুলনায় চিনের ‘অবদান’ অনেক বেশি।

ভারতের মোট ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ৪৫ শতাংশই প্রতিবেশি দেশটি থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। তাই চোরা পথে এদেশের বাজারে অনেক চিনা পণ্য প্রবেশ করছে বলে দাবি কাস্টমস অফিসারদের।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।