বেজিং:  পূর্ব চিন সাগরে বিশাল মহড়া চালাল চিনের নৌবাহিনী। যে এলাকায় চিনা নৌবাহিনী এই সুবিশাল মহড়া চালিয়েছে তা নিয়ে জাপানের সঙ্গে চিনের দীর্ঘদিন ধরে দ্ন্দ্ব চলছে।

লাল চিনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মহড়ায় তিনটি নৌবহর থেকে শুরু করে কয়েকশ যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন অংশ নেয়। অন্যদিকে, চিনা নৌবাহিনীও এক বিবৃতিতে বলেছে, হামলার ক্ষিপ্রতা, সূক্ষ্ম সামরিক যন্ত্রপাতি, সেনাদের স্থিতিশীলতা, গতি এবং ভারী ইলেক্ট্রোম্যাগনিটিকের প্রভাব যাচাই করার জন্য এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।

নৌবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমুদ্রে তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক যুদ্ধ হঠাৎ শুরু হয় এবং তা হয় হিংস্র ও স্বল্পস্থায়ী। এ যুদ্ধে প্রয়োজন হয় দ্রুততা ও ক্ষিপ্রতা, দ্রুত প্রস্তুতি এবং উঁচু মাত্রার হামলার ক্ষমতা। সোমবারের মহড়ায় নৌবাহিনীর হামলার ও আত্মরক্ষার কৌশল চর্চা করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে নৌবাহিনীর বিমান ইউনিট, বহু জঙ্গিবিমান এবং উপকূলবর্তী রাডার রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনারা।”

২০১২ সালে পূর্ব চিন সাগরের দিয়াউয়ু বা সেনকাকু দ্বীপকে জাতীয়করণ করে জাপান। তারপর থেকে বেজিং ও টোকিওর মধ্যকার সম্পর্ক অনেক বেশি তিক্ত হয়ে উঠেছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।