চিনা নৌবাহিনী

বেজিং: বেশ কিছুদিন ধরেই মালদ্বীপের পরিস্থিতি উত্তপ্ত৷ এই সময় ভারতকে চাপে ফেলতে চিন ভারত মহাসাগরে নামিয়েছে যুদ্ধজাহাজ৷ ভারতকে ঘিরে ধরতে চিন কোনও দিক থেকেই বাদ রাখতে চাইছেনা৷ আর এই খবর প্রকাশ হয়েছে বেজিং এর একটি ওয়েবসাইট সিনা ডট কম ডট সিএন ও অষ্ট্রেলিয়ার একটি ওয়েবসাইট নিউজ ডট কম ডট এইউতে প্রকাশ পেয়েছে৷

ভারতকে ঘিরে ধরতে কোনও সুযোগই হাতছাড়া করতে চাইছেনা চিন৷ পূর্ব ভারত মহাসাগরে চিনের তরফ থেকে রাখা হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ৷ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে মালদ্বীপের সমস্যায় ভারতের উপর চাপ তৈরি করতেই কড়া প্রতিক্রিয়ার পরেই এই যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ চিনা ওয়েবসাইটি জানিয়েছে ভারত মহাসাগরে রয়েছে চিনের একটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি অ্যাম্ফিবিয়াস ভেসেল৷ যেটি সাগর থেকে স্থলে সেনা পাঠাতে সক্ষম৷ একটি পোস্টে বলা হয়েছে “বর্তমানে, ভারত মহাসাগর অঞ্চল শান্তিপূর্ণ নয় এবং মালদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল”

এদিকে রবিবার প্রকাশিত নিবন্ধটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চীনের নৌবাহিনীর ‘ব্লু ২০১৮এ’ ভারতীয় নৌবহরেরই একটি জাহাজ পূর্ব ভারত মহাসাগরে “এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময়” ধরে প্রশিক্ষণের দেওয়ার কাজ করছে৷ ভারতীয় নৌ-প্রতিরক্ষা সূত্রে ভারত মহাসাগরের চিনেরকোনও যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির কথা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে৷

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ নাশিদকে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্ত করার জন্য নয়াদিল্লির হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানোর পরই চিন মালদ্বীপে বহিরাগত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে কড়া বার্তা দিয়েছিল৷ চিনের এই ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশ পায় চিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে দেওয়া এক বিবৃতি৷ তাতে বলা হয়, “অন্য দেশ মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না৷”

এদিকে অষ্ট্রেলিয়ান ওয়েবসাইটের তরফ থেকেও চিনা যুদ্ধজাহাজের পূর্ব ভারত মহাসেগরে উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে৷ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে “মালদ্ধীপের বিষয়ে বেজিং এর স্বার্থের কারণেই তারা চায় ভারতকে দূরে রাখতে৷”

মালদ্বীপে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো ও একটা নতুন বিষয়ের উন্নতি৷ কারণ ভারতকে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে যে চিন মালদ্বীপের ওপর প্রভাব কায়েম রাখতে চাইছে৷ নয়াদিল্লি এটিকে উদ্বেগের সঙ্গে দেখবে৷ এবং এথেকে চিন ও ভারতের মধ্যে আরও বেশি অবিশ্বাস বৃদ্ধি করছে৷” অষ্ট্রেলিয়ার ওই ওয়েবসাইটটি অষ্ট্রেলিয়ান পলিসি ইন্সটিটিউটের পিটার জেনিংসের এই কথা গুলিকে উদ্ধৃতি হিসেবে দেয়৷

চিনা ও অষ্ট্রেলিয়া ওয়েবসাইট দুটিতে প্রকাশ পেয়েছে পূর্ব ভারত মহাসাগরে চিন একটি আধুনিক বিদ্ধংসি যুদ্ধজাহাজ, একটি ফ্রিগেট ও একটি হামলাকারী জাহাজ এবং একটি সাহায্যকারী ট্যাঙ্কারসহ প্রবেশ করেছে৷