ওয়াশিংটন: জুনের ১৫ তারিখ পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন ২০ ভারতীয় জওয়ান। চিনও দাবি জানিয়েছিল প্রাণ হারিয়েছে চিন সেনার বহু সদস্য। তবে এখন সেই চিন সরকাররের তরফেই আর্মিদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার তথ্যগোপন করা হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে গোয়েন্দাসূত্রে।

শুধু তাই নয়, শেষকৃত্য না করার কথাও জানানো হয়েছে পরিবারদের, এমনটাই জানাচ্ছে আমেরিকার ইন্ট্যালিজেন্স অ্যাসেসমেন্ট।

ভারত-চিন সীমান্ত সংঘর্ষে দু’তরফেই সেনা হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। ভারতের তরফে ২০ জন জওয়ানের মৃত্যুর খবর তৎক্ষণাৎ স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, কারণ তারাই দেশের আসল নায়ক।

জুনের ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে সেনার পরিবারদের এই ত্যাগ মনে রাখা হয়েছে যা ‘পুজো করা উচিত বলেই জানিয়েছেন তিনি।

যদিও ঘটনার একমাস পেরিয়ে গেলেও এখনও অবধি কতজন মারা গিয়েছেন তা নিয়ে চিন সরকার সঠিক কোনও তথ্য তুলে ধরেনি। একটি রিপোর্টে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে সকল পরিবার ভারত-চিন যুদ্ধে তাঁদের কাছের মানুষদের হারিয়েছেন তাদের ঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না।

শুধুমাত্র চিন সরকার যে হতাহতের সংখ্যা তুলে ধরতে চাইছে না এমন নয়, তাঁরা সমাধিস্থ করার বিষয়টিও অস্বীকার করা হয়েছে। আমেরিকার ইন্টালিজেন্স রিপোর্ট অনুযায়ী, কতজন সেনা মারা গিয়েছে তা ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই চিন মুখ খুলছে না তাহলে বেজিংয়ের ভয়াবহ ভূল সামনে চলে আসতে পারে।

আমেরিকার ব্রেইটবার্ট নামে এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, মৃতদের পরিবারের লোকজন চিনের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েইবো-তে ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার থেকে তাঁদের নানাভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। চিনের ভয়, পিপলস লিবারেশন আর্মির সৈনিকদের মৃত্যুর খবর সারা বিশ্বে জানাজানি হলে সরকারকে লজ্জায় পড়তে হবে।

চিনের সরকার বলেছে, করোনা সংক্রমণের ভয়েই দেহগুলি পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু মৃতদের পরিবারের লোকজনের ধারণা, সরকার সৈনিকদের মৃত্যুর কথা গোপন করতে চায়।

আমেরিকার ব্রেইটবার্ট নামে এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, মৃতদের পরিবারের লোকজন চিনের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েইবো-তে ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার থেকে তাঁদের নানাভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। চিনের ভয়, পিপলস লিবারেশন আর্মির সৈনিকদের মৃত্যুর খবর সারা বিশ্বে জানাজানি হলে সরকারকে লজ্জায় পড়তে হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ