ঢাকায় দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান

ঢাকা: ঐতিহাসিক সফরে চিনা প্রেসিডেন্ট৷ বৃহত্তর বাংলাভূমিতে তিন দশক পর কোনও চিনা রাষ্ট্রপ্রধানের সফর৷ সবমিলে বেজিং-ঢাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন প্রলেপ৷ পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে ঢাকায় পৌঁছলেন চিনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং৷ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ৷ তিন দশক আগে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট লি জিয়াননিয়ান৷ তারও আগে পূর্ব পাকিস্তানের সময় ঢাকায় এসেছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট লিও শাওচি৷ সেটা ছিল তাঁর পাকিস্তান সফরের পর্ব৷ সেই অর্থে জিনপিংয়ের ঢাকা সফর ঘিরে রীতিমতো আশান্বিত শেখ হাসিনার সরকার৷ শুক্রবারই ঢাকায় হাসিনা-জিনপিং সৌজন্য সাক্ষাৎকার হবে৷ বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, , চিনের প্রেসিডেন্টের সফরে মোট ২৫টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবার কথা রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে উদ্যোগী ভারত৷ আর কূটনৈতিক বন্ধু পাকিস্তানকে রক্ষা করতে তৎপর চিন৷ এমনই পরিস্থিতিতে চিনা প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফর৷ ফলে তা নয়াদিল্লির কাছেও গুরুত্বপূর্ণ৷ চিন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক কী হতে পারে তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা৷ সূত্রের খবর, বাংলাদেশ সরকারকে ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য দিতে চলেছে চিন৷ যা এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে সবথেকে বড় বিদেশী অর্থ সাহায্য৷ যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো রূপায়ণে বিশাল ভূমিকা নিতে চলেছে৷