বেজিং: চিন থেকেই শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। ধীরে ধীরে সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। এই মুহূর্তে বিশ্বের একাধিক দেশ লড়াই করছে এই ভাইরাসের সঙ্গে। মুক্তির দিশা খুঁজে সবাই। এরই মধ্যে আবার খারাপ খবর আসছে চিন থেকে।

চিনের মাটিতে নতুন করে ৩০ জনের শরীরে ধরা পড়েছে করোনাভাইরাস। সংখ্যাটা একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে ১৯। এর মধ্যে শুধু বাইরে থেকে আসা ব্যক্তি নয়, লোকাল ট্রান্সমিশনের ঘটনাও ঘটেছে। চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে নতুন করে পাঁচজন এমন আক্রান্তকে পাওয়া গিয়েছে, চাঁদের লোকাল ট্রান্সমিশন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত চিনে আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে দাঁড়ালো মোট ৮১,৬৬৯। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩২৯।

চিন থেকে শুরু হয়েছিল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। তারপর ধীরে ধীরে চিন কার্যত দুর্গে পরিণত করে সেই উৎসস্থল উহান শহরকে। তারপর গোটা বিশ্ব এই ভাইরাসের আক্রমণে কার্যত নাজেহাল হলেও চিনের অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে যায়।

কিন্তু এবার যে রিপোর্ট সামনে এলো তা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। চিনে নাকি এমন অনেক করোনা আক্রান্ত রয়েছেন যাদের শরীরে কোন উপসর্গ নেই। অর্থাৎ বাইরে থেকে একেবারে সুস্থ স্বাভাবিক হলেও তাদের শরীরের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মারণ ভাইরাস। উপসর্গ না থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।

চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন যে রিপোর্ট দিচ্ছে তাতে বলা হয়েছে, এরকম উপসর্গবিহীন করোনা আক্রান্ত রয়েছে অন্তত ১৫৪১ জন। এর ফলে তিনি নতুন করে করো না সংক্রমণের প্রবণতা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানানো হয়েছে, গত সোমবার পর্যন্ত এরকম ১৫৪১ জন রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ২০৫ জন দেশের বাইরে থেকে এসেছেন। এরকম উপসর্গবিহীন আক্রান্ত ছাড়াও ৩৫ জন নতুন করনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে যারা দেশের বাইরে থেকে এসেছে। এর ফলে চিনের বাইরে থেকে আসা করণে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮০৬।

চিনে এই রোগে নতুন করে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে সেখানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ৩৩১২। প্রথম থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চিনে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৮১৫৫৪।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।