বেজিং: গোটা বিশ্ব করোনার গ্রাসে। দুনিয়াজুড়ে এখনও চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। ভাইরাসকে কাবু করতে বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন তৈরির তৎপরতা তুঙ্গে। এই আবহেই এবার সুখবর শোনাল চিন। চিনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের অধিকর্তা গুইঝেন হু জানিয়েছেন সব কিছু ঠিকঠাক চললে বছর শেষেই বাজারে আসবে চিনের তৈরি করোনা ভযাকসিন।

বিশ্বের একাধিক দেশ করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজে ব্যস্ত। ইতিমধ্যেই করোনার ভ্যাকসিনের আবিস্কারের দাবি করেছে রাশিয়া। যদিও পুতিনের দেশে তৈরি ওই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে এখনও অনেক দেশেরই প্রশ্ন রয়েছে।

ভ্যাকসিন তৈরির কাজে অনেকটাই এগিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। হিউম্যান ট্রায়াল চলাকালীন দিন কয়েক আগেই এক স্বেচ্ছাসেবক অসুস্থ হওয়ায় তড়িঘড়ি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল অক্সফোর্ড। যদিও যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ফের ওই ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালের কাজ শুরু হয়েছে।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজে বেশ খানিকটা এগিয়েছে ভারতও। দেশের তিনটি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে। এরই মধ্যে এবার চিনের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন আগামী মাস দু’য়েকের মধ্যেই বাজারে এসে যাবে বলে আশাবাদী সে দেশের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের অধিকর্তা গুইঝেন হু।

জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে করোনার চারটি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে চিনে। ইতিমধ্যেই গত জুলাই মাসে চিনে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের শরীরে ৩টি ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। চিনের দাবি, পরীক্ষামূলকভাবে সেই প্রয়োগে সফলতা এসেছে। এমনকী ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরে কারও শরীরে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি বলেও দাবি চিনের।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।