বেজিং: বছর দুয়েক আগে থেকেই কোনও খবর নেই তাঁর। অবশেষে তাঁর মৃত্যুর কথা স্বীকার করল চিন। গত ২ বছরে চিন এ ব্যাপারে কোনও জবাবই দেয়নি। তবে এবার মুখ খুলেছে বেজিং। জানিয়েছে ২ বছর আগেই মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।

চিন জুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলে সরব হয়েছে বহু দেশ। আর সেই চাপের মুখেই সম্ভবত একথা স্বীকার করে নিল বেজিং।

পড়ুন আরও- পুজোর আগেই দিঘাতে রাজ্যবাসীর জন্য নয়া চমক মমতার

ওই উইঘত মুসলিম পরিবার দাবি করেছিল যে ২০১৭ তে তাঁকে জিনজিয়াংয়ের ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে ধরে রাখা হয়েছে। এরপর ২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘে রেজিস্টার হয় আব্দুল গফুর হাফিজ নামে ওই ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা। তবে চিন এ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও কথা বলেনি।

সম্প্রতি, ‘দ্যা গার্ডিয়ান’ সংবাদমাধ্যম এমন একটি খবর প্রকাশ করেছে।

জানা যাচ্ছে যে, চিন গত সেপ্টেম্বরেই জানিয়েছে যে কাসঘরের ওই অবসরপ্রাপ্ত চালক মারা গিয়েছে দু বছর আগেই। মৃত্যুর কারণ হিসেবে টিবি ও নিউমোনিয়ার কথা জানানো হয়েছে।

পড়ুন আরও- মেনোপজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাঁজায় আসক্ত হচ্ছে মহিলারা, গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

যদিও এই দাবি মানতে নারাজ মৃত ব্যক্তির মেয়ে। তাঁর মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার একজন অ্যাকটিভিস্ট। তিনি বলেন, এই দাবি বিশ্বাস করেন না তিনি। কারণ বাবার স্বাস্থ্য সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই অবগত ছিলেন। আর তাঁর ধারনা বাবার মৃত্যু হলে ডায়াবেটিসে হতে পারে, টিবিতে নয়।

জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তির মা ও দুই ভাইও নিখোঁজ। WGEID চিনকে আগেই বলেছিল যাতে ওইসব নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে সব তথ্য জানানো হয়।

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে যে জিনজিয়াংয়ে একের পর এক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরই প্রেসিডেন্ট জি জিংপিংয় দাবি করেছেন জিনজিয়াং জুড়ে শুধুই খুশি।

প্রতিনিয়ত জিনজিয়াং থেকে নানা ধরনের অত্যাচারের খবর আসে। কখনও জোর করে শ্রমিকের কাজ করানো হয়। কখনও আরও ভয়ঙ্কর কোনও কাজে বাধ্য করা হয় সেখানকার বাসিন্দাদের। সেই খবর আজ আর গোপন নেই।

ফাইল ছবি

অথচ জিনজিয়াং নিয়ে এক কনফারেন্সে জিংপিং দাবি করেন, জিনজিয়াংয়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দ আছে। তাঁরা জানেন তাঁরা সুরক্ষিত। চিনের প্রশাসন সেখানকার বাসিন্দাদের চিন নিয়ে সঠিক তথ্য জানানোর চেষ্টা চালাবে বলেও জানা গিয়েছে।

তিনি আরও বলেন জিনজিয়াংয়ের বাসিন্দাদের শিক্ষিত করা প্রয়োজন। তাঁদের ইতিহাস, জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরি।

সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, একটা নয়, চিনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়ছে হাজার হাজার মসজিদ। মাত্র তিন বছরে একাধিক মসজিদ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I