মস্কো: একাধিক দেশেই নিজেদের আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছে চিন। সম্প্রতি, ভারতের সীমান্তেও দেখা গিয়েছে সেই ছবি। আমেরিকার সঙ্গেও এই বিষয়ে সমস্যা রয়েছে চিনের। তবে, এবার একেবারে চমকে দিয়ে রাশিয়াকে টার্গেট করল চিন।

যে রাশিয়া বরাবরই বেজিংয়ের সমর্থনে কথা বলে এসেছে, সেই রাশিয়ার জায়গাও এবার নিজেদের বলে দাবি করল চিন।

রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্টক শহর নিজেদের বলে দাবি করেছে বেজিং। তবে এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি রাশিয়া।

গত শুক্রবার ভ্লাদিভোস্টক শহরের ১৬০তম বর্ষপূর্তিতে চিনা মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট উইবোতে অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। চিনে রুশ দূতাবাসের ওই ভিডিও নিয়ে আপত্তি তুলেছেন চিনা কূটনীতিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা।

তাঁদের দাবি, ভ্লাদিভোস্টক শহরের আদি নাম ছিল ‘হাইশেনওয়াই’। কুইং সাম্রাজ্যের আমলে এই শহরটি চিনের অংশ ছিল। ইউরোপে শিল্প বিপ্লব ঘটায় শুরু হয় উপনিবেশ স্থাপনের লড়াই। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে ঘটে যায় বড়সড় রদবদল। চিন দখল করতে লড়াই শুরু করে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধে চিনের পরাজয়ের পর ১৮৬০ সালে ভ্লাদিভোস্টক শহর দখল করে নেয় রাশিয়া।

চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যমের এক সংবাদকর্মী শেন শিওয়েই বলেছেন, ‘১৮৬০ সালে ভ্লাদিভোস্টক শহরে সামরিক বন্দর তৈরি করে রাশিয়া। কিন্তু ওই শহরটি আসলে হাইশেনওয়াই। অসমান বেজিং চুক্তির ফলে চিনের ওই শহরটি নাকি হাতিয়ে নেয় রাশিয়া। তাই উইবো-তে অনুষ্ঠানের ভিডিও কাম্য নয়।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার সাফল্য উদযাপনের ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অভিনন্দন জানাতেই মূলত প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানা যাচ্ছে, দুপক্ষের আলোচনায় দুই দেশ রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যে আরও সম্পর্ক মজবুত করতে পারস্পরিক সমঝোতা আরও বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ