বেজিং:  জুলাইয়ে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম আমেরিকা থেকে সোয়াবিন কিনেছে চিন। একে ‘বড় ধরনের পদক্ষেপ’ বলে প্রশংসা করেছেন মার্কিন আধিকারিকরা। চিন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমেরিকার সোয়াবিন ক্ষেত্র। কারন বিশ্বে চিনই সবচেয়ে বেশি সোয়াবিন আমদানি করে থাকে। আর এই বছরের বাণিজ্যযুদ্ধে আমেরিকার সোয়াবিনের ওপর বেজিং শুল্কারোপ করায় মার্কিন কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে এই মাসের শুরুর দিকে আমেরিকা এবং চিন বাণিজ্যযুদ্ধে বিরতি দিতেও রাজি হয়েছে। তখনই চিন খুব শিগগিরই আমেরিকার সোয়াবিনের বাজারে প্রবেশ করবে বলে আশার সঞ্চার হয়। এরপরই বৃহস্পতিবার চিন ১১ লাখ ৩০ হাজার টন সোয়াবিন কিনেছে। অনেকেই এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে। আবার অনেকে বলেছে, চিন খুবই কম পরিমাণ সোয়াবিন কিনেছে। আর তাই একে বাণিজ্যযুদ্ধ শিথিল হয়ে পড়ার লক্ষণ বলা যায় না।

আমেরিকার কৃষি বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি স্টিভ সেন্সকি বলেছেন, “লাখ লাখ টন সোয়াবিন কেনাটা চমৎকার ব্যাপার। এটি অনেক বড় একটি পদক্ষেপ। তবে আরও বেশি কেনাটাও প্রয়োজন। বিশেষ করে বছরে যতটুকু বিক্রি করা হয় সেই স্বাভাবিক হিসাব ধরা হলে চিনে আমাদের সয়াবিন বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ কোটি থেকে ৩ কোটি ৫০ লাখ টন।” মোটের এই হিসাবের তুলনায় চিনের সোয়াবিন ক্রয় অনেক কম হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ততটা খুশি হতে পারেনি এবং সোয়াবিন বিক্রির ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলেই মনে করছে তারা।

তবে টেনেসির সোয়াবিক কেনা-বেচা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড গ্রেইনের প্রেসিডেন্ট জোয়ে ভ্যাকলাভিক বলেন, “সোয়াবিন বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে এতেই যে সয়াবিন খাতে সমস্যার সমাধান হতে চলেছে তা বলা যাবে না।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ