বেজিং: চিন-ভারত সীমান্তে ফের দাদাগিরি শুরু বেজিংয়ের৷ সীমান্ত লাগোয়া দুটি বেস ক্যাম্পে শক্তি বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে চিন৷ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে একের পর এক মজুত করা হচ্ছে ঈগল জেট ইউএভি, এইচ-৬কে বোম্বারের মত অস্ত্র৷ এই সব হাতিয়ার মূলত ড্রোন৷ সীমান্তে নজরদারি চালাতেই এই ড্রোন বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে বলে খবর৷

আন আর্মড ভেহিক্যাল বা ইউএভি ঈগল জেট চিনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার৷ চিনা বায়ুসেনার মারণাস্ত্র মানবহীন ঈগল জেট৷ এতে থাকছে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পদ্ধতি৷ যার সাহায্যে সীমান্তের খুঁটিনাটি তথ্য উঠে আসবে বেজিংয়ের হাতে৷

এরই সঙ্গে রয়েছে এইচ-৬কে বোম্বার৷ এটি দুটি ইঞ্জিন বিশিষ্ট মাঝারি পাল্লার বোম্বার বলে পরিচিত৷ মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন এই বোম্বারের ব্যবহার করত৷ তবে এর অত্যাধুনিক ভার্সন রয়েছে চিনের হাতে৷ এই অস্ত্র দূরপাল্লার নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম৷

সিকিমে ভারত চীন সীমান্ত থেকে মাত্র ২০০ কিমি দূরে নিজেদের বেসক্যাম্প সাজাচ্ছে চিন বলে খবর মিলেছে৷ এই তথ্য পেয়ে যথেষ্ট চিন্তিত নয়াদিল্লি৷ চিনের এই সীমান্তের কাছে এসে বায়ুসেনা ক্যাম্পের শক্তি বাড়ানোকে ভালো চোখে দেখছে না ভারত৷ নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনওরকম উস্কানিমূলক আচরণ বরদাস্ত করবে না ভারত৷ তবে দুদেশের সম্পর্কের শান্তি প্রক্রিয়া যাতে বজায় থাকে, তার জন্য ভারত সদা সচেষ্ট৷

এর আগে, জানা গিয়েছিল ভারতের ওপর পাকিস্তান হামলা চালাতে পারে চিনে তৈরি JF-17 ফাইটার জেট দিয়ে৷ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের F-16 ও ভারতের তেজসকে টেক্কা দিতে আপগ্রেড করা হয়েছে সম্প্রতি৷

গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিন ও পাকিস্তান যৌথভাবে JF-17 থাণ্ডার সিরিজের জেটগুলির মানোন্নয়নে কাজ করছে৷ যা ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে বলে খবর৷ সেক্ষেত্রে পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা বাড়লে পাক তরফে হামলা চলুক বা চিনের সাহায্যে পাক হামলা হোক, সব ক্ষেত্রেই এই JF-17 ফাইটার জেট ব্যবহার করা হবে জানা গিয়েছে৷

চিনে তৈরি এই ফাইটার জেটের মূল কারিগর ইয়াং ওয়েই জানান JF-17 জেটের আপগ্রেডেশনের কাজ শুরু হয়েছে৷ এই কর্মপদ্ধতিতে সাহায্য করছে পাকিস্তানও৷ মার্কিনী F-16 দিয়ে আপাতত হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান৷ তবে JF-17 ফাইটার জেটের কাজ শেষ হলেই তা হামলার কাজে ব্যবহার করা হবে৷