বেজিং: বিশ্বের এই কঠিন সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে সবার কাজ করা উচিত। অথচ আমেরিকা তা করছে না। হু থেকে সাময়িক ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান সরিয়ে নেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা করল চিন।

বুধবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়াং দাবি করেন অবিলম্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারণ এই সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করতে হুর সঙ্গে একযোগে প্রতিটি দেশের কাজ করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে চিন।

মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন চিনে করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়াকে বিশ্বের কাছে সঠিক গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেনি WHO। বিশ্বব্যাপী করোনার বিস্তারে হু-এর অস্বচ্ছ ভূমিকা রয়েছে। এ ব্যাপারে হু-এর কাজকর্ম পর্যালোচনা করা হবে, তারপরেই হু-কে টাকা দেওয়া যায় কিনা তা পুনর্বিবেচনা করা হবে। ট্রাম্পের দাবি মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে হু। চিনের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে এগোনোর ফলে বিশ্বে করোনা হানার ভয়াবহতা ২০ গুণ বেশি বেড়েছে, যা কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

অন্যদিকে, চিনের দাবি তারা বরাবর করোনা মোকাবিলায় হু-র পাশেই থাকবে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যা প্রয়োজন, তা যোগাবে চিন। উল্লেখ্য আমেরিকা WHO-কে সর্বাধিক অনুদান দিয়ে থাকে। গত বছরেও এই অনুদানের অঙ্ক ছিল ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, এখন সম্পদ কমিয়ে দেওয়ার সময় না।

বুধবার চিনের সুরেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছে মাইক্রোসফটের সহ প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। তাঁর মতে এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার ফল মারাত্মক হতে পারে। হু-র এই সময় টাকার প্রয়োজন, তা দিয়েই করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন গেটস। কিন্তু আমেরিকা যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যথেষ্ট চিন্তার। এই বক্তব্য নিয়ে গেটস একটি ট্যুইটও করেন। তাতে তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, অত্যন্ত খারাপ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.