বেজিংঃ   একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশাল এবং অত্যাধুনিক একটি ড্রোনের সফল পরীক্ষা চালাল চিন। চাইহং-৫ নামের এই ড্রোন এখন ব্যাপকভাবে উতপাদন করা হবে বলে চিনের তরফে জানানো হয়েছে।

চিনা গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের খবর অনুসারে, এই ড্রোনের একেকটি পাখা ২১ মিটার লম্বা। এবং এক টনের বেশি ওজন বহন করতে পারে। চাইহং বা রঙধনু সিরিজের এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় আকারের ড্রোন। এটা একটানা ৬০ ঘণ্টা আকাশে উড়তে এবং ১০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। চিনা গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের খবরে বলা হচ্ছে, চাইহং-৫ নামের এ ড্রোন দিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি ও শত্রু অবস্থানে হামলা, নজরদারি এবং টহল দেওয়া যাবে। এছাড়া, বিভিন্ন রকমের গবেষণা ও জরুরি ত্রাণ তৎপরতার মতো ব্সোমরিক কাজেও ব্যবহার করা যাবে।

চিহং প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী শি ওয়েন জানান, এই ড্রোন নানা ধরণের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এবং এটা বিশ্বের অন্যতম সেরা ড্রোন। তবে প্রয়োজনে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এই ড্রোনকে আরও আধুনিক করা হবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। আগামী কয়েকমাসের মধ্যে সেনাবাহিনীতে এই ড্রোন ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

একদিকে ভারত-চিন সীমান্তে যখন ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ে ফের শক্তি পরীক্ষা চিনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.