বেজিং : মুসলিম বসবাসকারী চিনের সিংজিয়াং প্রদেশে শিশুদের জন্য ‘সাদ্দাম’, ‘জিহাদ’-দের মতো ডজন খানেক মুসলিম নাম নিষিদ্ধ করা হল৷ এমন নাম রাখা হলে তারা সরকারি শিক্ষা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাবে না বলে মঙ্গলবার একটি দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী জানিয়েছে৷

সিংজিয়াং অথোরিটি সম্প্রতি নিষিদ্ধ করেছে ডজন খানেক নাম যা দুনিয়া জুড়ে সাধারণ মুসলমানদের ধর্মীয় অর্থবহন করে এবং যা বাড়বাড়ি রকম ধর্মকে সুরসুড়ি দেয় বলে জানায় হিউমান রাইট ওয়াচ৷

রেডিও ফ্রি এশিয়া উল্লেখ করেছে, ইসলাম, কোরাণ, মক্কা, ইমাম, সাদ্দাম ,হজ এবং মদিনা হল সেই সব ডজন খানেকের তালিকায় থাকা শিশুদের নাম যা নিষিদ্ধ করছে ক্ষমতায় থাকা চিনের কমিউনিস্ট পার্টির ‘সংখ্যালঘু জাতিগত নামকরণের নিয়মবিধি’ ৷ ওই নিষিদ্ধ নামওলা শিশুরা স্কুল শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হবে৷ ওই অঞ্চলে জঙ্গীদের সঙ্গে লড়াই করার নিমিত্তেই চিনের এই নয়া পদক্ষেপ,ওইখানে রয়েছে ১কোটি উইগুর এথনিক সংখ্যালঘু মুসলমানের বাস৷

ধর্মীয় জঙ্গীপণা মোকাবিলা করতে এটাই সর্বশেষ বিধি বলে জানিয়েছে হিউমান রাইট ওয়াচ৷  দ্বন্দ্বে থাকা উইগুর এবং হান প্রধান দুই এথনিক গোষ্ঠী সিংজিয়ান প্রদেশের সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে৷ পুরো নামের তালিকা প্রকাশ করেনি এবং কি কি কারণে ধর্মীয় নামের তকমা পড়তে সেটাও স্পষ্ট নয়৷১এপ্রিল  সিংজিয়াং অথোরিটি নয়া বিধি চালু করেছে যাতে বলা হচ্ছে অস্বাভাবিক দাড়ি রাখা  চলবে না অথবা চাদরে ঢাকা পোষাক পরে জনসমক্ষে যাওয়া অনুমোদন করা হচ্ছে না এবং সরকারি টেলিভিশন এবং রেডিও অনুষ্ঠান না দেখতে বা শুনতে চাইলে শাস্তি হবে৷

হিউমান রাইট ওয়াচ জানিয়েছে, এমন নীতির ফলে অন্তর্দেশিয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ধর্মবিশ্বাস এবং বাকস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘণ করা হচ্ছে৷ সিংজিয়াং প্রদেশে যেসব সরকারি অফিসারেরা কিছুটা নমনীয় তারা এখন অনেক বেশি শাস্তির মুখে পড়ছে৷ গত জানুয়ারিতে এক অফিসার কড়া ‘ওয়ার্নিং’ খেয়েছেন কারণ সরকারি নীতির সমালোচনা করে তিনি তাঁর স্ত্রীর কাছে মেসেস পাঠিয়েছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।