বেজিং: রিখটার স্কেলে ৫ ম্যাগনিটিউড তীব্রতায় কেঁপে উঠল দেশ৷ ঘটনাস্থল দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের ইউনান প্রদেশ৷ এই কম্পনে এখনও পর্যন্ত ১৮জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে৷ আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ তাদের অবস্থা স্থিতিশীল৷ ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬,০০০ বাড়ি৷ টোংগাই এবং হুয়ানিং-এর ৪৮,০০০ বাসিন্দা ক্ষতির সম্মুখীন৷

অন্যদিকে এর আগে ইন্দোনেশিয়া ভমিকম্পের ফলে প্রাণ হারায় বহু মানুষ৷ জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট আইল্যান্ড লোমবকে এই ভূমিকম্পে সবথেকে বেশি প্রভাবিত হয় বলে জানা যায়৷ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রচুর৷ এখানেই শেষ নয়৷ ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠা ইন্দোনেশিয়ার লম্বোক দ্বীপ ১০ ইঞ্চি ওপরে উঠে গিয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রে খবর৷ বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, গত শনিবার এই তথ্য সামনে এসেছে৷

পড়ুন: ভূমিকম্পে তছনছ ইন্দোনেশিয়ায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

জানা গিয়েছে উপগ্রহ চিত্র মারফত এই তথ্যের প্রমাণ মিলেছে৷ ছবিতে স্পষ্ট লম্বোক দ্বীপের মাটি উঁচুনিচু ও অসমান হয়ে গিয়েছে৷ দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম পাশ অর্থাৎ ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে ভূখণ্ডটি প্রায় ১০ ইঞ্চি উঁচু হয়ে গিয়েছে৷ এমনই তথ্য জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি৷

৫ই আগষ্ট হওয়া ওই ভূমিকম্পে শুধু দ্বীপ উচুঁই হয়ে যায়নি, বিভিন্ন জায়গা দুই থেকে ছয় ইঞ্চি নিচু হয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় বেসিনে আগ্নেয়গিরি আর চ্যুতি রেখার অবস্থানের কারণে বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা তথা রিং অব ফায়ারের মধ্যে পড়েছে ইন্দোনেশিয়া। ফলে এখানে ভূমিকম্প নিত্যদিনের ঘটনা৷

পাঁচ তারিখের ভূমিকম্পে রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে রবিবারের ওই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০০৷ তবে সরকারি সংস্থা বলছে, ভূমিকম্প আঘাত হানার পর এ পর্যন্ত ৩৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।