ক্রমশ সরছে চিনের সেনাবাহিনী। শুক্রবারের যে স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে পরিস্কার দেখা যাচ্ছে যে প্যাংগং লেকের ধারে ক্রমশ কমে আসছে চিনা সেনার উপস্থিতি।

এর আগে গত ২৬ জুনের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে লেকের নীল জলের ধারে ছিল চিনা সৈন্যের ভিড়। আজ সেই অংশ অনেকটাই ফাঁকা। তবে এখনও কয়েক’শ চিনা সৈন্যের তাঁবু দেখা যাচ্ছে ওই অঞ্চলে। এখনও চিনা সেনার পুরোপুরি সরে যাওয়ার ছবি দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে অত্যাধুনিক সেনা কপ্টার চিনুক ও অ্যাপাচে এসে পৌঁছেছে। এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে ও সিএইচ-৪৭ এফ(আই) মিলিটারি কপ্টার এবার ব্যবহার করবে বায়ুসেনা। শুক্রবার মোট ২২টি অ্যাপাচের মধ্যে শেষ পাঁচটি এসে পৌঁছেছে। বোয়িং ভারতীয় সেনার হাতে এই কপ্টারগুলি তুলে দেয়।

এবছরের মার্চ মাসের শুরুতেই ১৫টি চিনুকের শেষ পাঁচটি তুলে দেওয়া হয় ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে। শুক্রবার সেগুলি এসে পৌঁছয় হিন্ডানে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। চিনুক কপ্টারগুলি ভারি ওজন বহনে সক্ষম। যে ১৭টি দেশের হাতে অ্যাপাচে ও চিনুক তুলে দেওয়া হবে, তার মধ্যে রয়েছে ভারত। অ্যাটাক হেলিকপ্টার হিসেবে অ্যাপাচের জুড়ি মেলা ভার।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি দেশ অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে। ভারতীয় বায়ুসেনা মোট ২২টি অ্যাপাচের বরাত দিয়েছিল।

অ্যাপাচে হেলিকপ্টার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে মার্কিন সেনাবাহিনী। এছাড়া জাপান, ইজরায়েল, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর এবং আরব আমীরাতও অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে থাকে। এবারও ভারতও সেই তালিকায় সামিল হল৷ জানা গিয়েছে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে প্রথম পরীক্ষামূলক উড়ান হয় এই অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের৷ বলাই বাহুল্য সফলও হয় সেই উড়ান৷

বলা হয় বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি গার্ডিয়ান অ্যাটাক হেলিকপ্টার বিশ্বের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক কপ্টারগুলির মধ্যে অন্যতম৷ ২০১৯ সালের ২৭শে জুলাই ভারত প্রথম হাতে পায় অ্যাপাচি হেলিকপ্টার৷ যে কোনও আবহাওয়ায় কাজ করতে পারে অ্যাপাচে। অ্যাপাচের নেভিগেশন, রাতের অন্ধকারে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানার ক্ষমতা, সেন্সর যথেষ্ট শক্তিশালী।

অন্যদিকে, ২০টি দেশ চিনুক ব্যবহার করে। সর্বাধিক ওজন বহনে সক্ষম এই কপ্টার যে কোনও বায়ুসেনার শক্তি। চিনুকও যে কোনও ধরণের প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম। অতি উচ্চতাতেও সমান পারদর্শীতায় কাজ করে যায় চিনুক কপ্টার।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বোয়িং সংস্থাকে এই কপ্টার তৈরির বরাত দেয়। চিনুক কপ্টারগুলিতে রয়েছে ডিজিটাল অটোমেটিক ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম, মেশিন এয়ারপ্রেম, কমন এভিওনিক্স আর্কিটেকচার সিস্টেম।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ