কলকাতা: ফের সরকারি হাসপাতালে অমানবিকতার দৃশ্য৷চোখে পেরেক ঢুকে যাওয়া অবস্থায় বছর আটেকের একটি শিশুকে ঘুরতে হল পাঁচটি হাসপাতালের দরজায়৷ শেষ পর্যন্ত এনআরএস হাসপাতাল শিশুটির চোখের অস্ত্রোপচার করেছে৷

শনিবার চোখে পেরেক ঢুকে গিয়ে গুরুতর জখম হয় বছর আটেকের পরিমালি মোল্লা৷ দুর্ঘটনার পরই দক্ষিণ ২৪ পরগণার জীবনতলার বাসিন্দা পরিমালি মোল্লাকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসে তার পরিবার৷ বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, রাজ্যের সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল পরিমালির থেকে মুখ ফেরায়৷ সটান রেফার করে দেয় অন্য হাসপাতালে৷ এরপর বাঙুর নিউরোলজি, মেডিক্যাল কলেজ, চিত্তরঞ্জন ও এনআরএস হাসপাতাল প্রত্যেকেই রেফার করে দায় সারে৷ শেষপর্যন্ত সংবাদমাধ্যমের চাপে পরে এনআরএস হাসপাতাল শিশুটিকে ভরতি নিয়ে অস্ত্রোপচার করে৷

পারিমলের বাবা বলেন, ভাল চিকিৎসার আশা নিয়ে কলকাতায় আসি আমরা৷ কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলোই যদি আমাদের মতো গরীব মানুষের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে কোথায় যাব? চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পারিমল এখন অনেকটাই সঙ্কটমুক্ত৷

কিছুদিন আগেই বেসরকারি হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালগুলোকেও রেফার করার ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশও যে সরকারি হাসপাতালগুলি হেলায় উড়িয়ে পারে তার টাটকা প্রমাণ মিলল পরিমলের ঘটনায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।