স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: গণধর্ষিত হয়নি রাজগঞ্জের দুই নাবালিকা। মেডিক্যাল রিপোর্টে উল্লেখ করে এমনটাই দাবি চাইল্ড রাইট কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তীর।

রবিবার সকালে জলপাইগুড়িতে আসেন চাইল্ড রাইট কমিশনের চেয়ার পার্সন অনন্যা চক্রবর্তীর নেত্রীত্বে মোট তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। জলপাইগুড়ি পৌঁছে প্রথমে তাঁরা চলে যান সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে তাঁরা নাবালিকার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এরপর তাঁরা বেরিয়ে চলে আসেন জলপাইগুড়ি সার্কিট হাউসে।

গত ৪ সেপ্টেম্বর পাশের গ্রামে কাকার বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলো দুই বোন। ফেরার পথে রাস্তায় পথ আগলে দাড়ায় কয়েকজন। এরপর তাদের শ্লীলতাহানি এবং গণধর্ষন করে বলে অভিযোগ। এরপর ঐ দুই বোন নিখোঁজ ছিল।

গত ৬ সেপ্টেম্বর বাড়ি ফিরে এসে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দুজনেই। সে দিনই বড় বোনের মৃত্যু হয়। ঘটনায় গনধর্ষন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনায় কমিশনের চেয়ার পার্সন অনন্যা চক্রবর্তী বলেন, আমরা মেয়েটির সাথে দেখা করে এলাম। সে এখন অনেকটাই সুস্থ আছে। এরপর জলপাইগুড়ি জেলা এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনন্যা চক্রবর্তী জানান, মেডিক্যাল রিপোর্টে গণধর্ষনের প্রমান পাওয়া যায়নি।শরীরে তেমন কোনও আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।ঘটনার প্রকৃত কারন জানতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।